ড. সালেহ হাসান নকীব, উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে ২০০৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। তার গবেষণায় প্রাধান্য পেয়েছে সুপার কন্ডাক্টিভিটি ও কম্পিউটেশনাল ফিজিকস। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তায়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আবু ছালেহ শোয়েব
গণ-অভ্যুত্থান ও পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিরাজমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি কেমন দেখছেন?
যে পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছিলাম সে তুলনায় পরিস্থিতি এখন অনেক স্থিতিশীল। তবে অনেক চাপ রয়েছে। এ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছে। কিন্তু জুলাই-আগস্টের প্রভাব এবং এটি যে অনেক বড় একটা পরিবর্তন, তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হচ্ছে। তাছাড়া একটা শান্ত সময়ের নিশ্চয়তা নেই যে সেটা দ্রুতই আবারো অশান্ত হয়ে যাবে না। সে জায়গায় এখন আছে। নতুনভাবে সবকিছু চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কখনো যথাযথভাবেই পরিচালনা করা যাচ্ছে, কখনো বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। কাজেই সবকিছু যে একেবারে ঠিক হয়ে গেছে, এমন নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা বিভাগে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়েছিল। এ সংকট কি এখানে কিছুটা হলেও কেটেছে?
শিক্ষক সংকট আছে এবং অনেক বেশি শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। অনেকগুলো বিভাগ মাত্র তিন-চারজন শিক্ষক নিয়েই চলছে, যা একাডেমিক্যালি একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। এতে পাঠদান, গবেষণা, শিক্ষা—সবকিছুই ব্যাহত হচ্ছে। এদিকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের অনেক শূন্য পদ আছে। প্রতিটি বিভাগেই শিক্ষক সংকট রয়েছে। তবে আমরা গত মাসে শিক্ষা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছি। সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার ইচ্ছা রয়েছে। এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি দিকনির্দেশনা হয়ে থাকবে। সদিচ্ছা থাকলে আমরা সেরা ছেলেমেয়েগুলোকেই শিক্ষক হিসেবে নিয়ে আসতে পারি। আমরা সে কাজটাই শুরু করেছি।
বিগত সরকারের আমলে প্রণীত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষক নিয়োগ হবে না— এ দাবিতে রাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। এ বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই।
আমার কাছে নীতিমালা গুরুত্বপূর্ণ কিছু না। একটি শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডে যারা থাকবেন, তারা যদি যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন ও স্বচ্ছ বিবেকের মানুষ হন, তাহলে তাদের আসলে নীতিমালার দিকে তাকানোর তেমন প্রয়োজন পড়বে না। তারা তাদের যোগ্যতা-দক্ষতা দিয়ে সাক্ষাৎকার নেয়ার মাধ্যমে সেরা ছাত্রছাত্রী বাছাই করবেন। তাদের সদিচ্ছা থাকলে বাড়তি কয়েক টুকরো কাগজের প্রয়োজন পড়ে না।
তবে যেহেতু এটি একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া, তাই ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজন আছে। এছাড়া সেখানে একটি ভালো নীতিমালা থাকা জরুরি, যাতে কেউ ইচ্ছে করলে অন্য কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু করতে না পারে। আমরা নীতিমালা রিভাইজ করছি এবং সামনের সিন্ডিকেটে এটি উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২২ সালের নীতিমালাটি যারা তৈরি করেছিলেন, তারা পরিশ্রম করেই করেছিলেন এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি বেশ ভালো একটি নীতিমালা। আমরা এটিকে আরো উন্নত করে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।
শিক্ষক নিয়োগ ধারাবাহিকতায় ছেদ না ঘটে, সেজন্য কোনো পরিকল্পনা রয়েছে?
এটি বলা কঠিন। তবে সামনের দিনগুলো কেমন হবে তা থেকেই এটি বোঝা যাবে। এ বিষয়ে খুব পরিষ্কার একটি অবস্থান থাকা দরকার বলে মনে করি। প্রতিটি বিভাগ থেকে যখন আমরা ব্যতিক্রমী মেধাবী শিক্ষার্থী দেখতে পাই, আমাদের উচিত তাদের নিয়োগ দেয়া। এটি এমন না যে এক বছর নিয়োগ হবে, তারপর পাঁচ বছর বন্ধ থাকবে, তারপর আবার দুই বছর চলবে। এটি শিক্ষক নিয়োগের একটি অসুস্থ ধারা। বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি কোনো ব্রিলিয়ান্ট শিক্ষার্থী পায়, তাহলে তাকে সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষক হিসেবে নিয়ে নেয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এমনটাই হওয়া প্রয়োজন।
শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী এবং দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কেমন পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?
এখানে অনেকগুলো বিবেচ্য বিষয় রয়েছে। শ্রেণীকক্ষে পাঠদান গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি ভালো শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারি, তাহলে শিক্ষার্থীরা ভালো শিখবে, ভালো শিখলে তারা আরো আগ্রহী হবে; যারা আগ্রহী হবে তারা গবেষণায় আসবে। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
তবে এক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হলো ফান্ডের অভাব। আমরা ফান্ড বৃদ্ধির জন্য অনেক চেষ্টা করছি। কিছু ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতি হচ্ছে, তবে যেভাবে হওয়া দরকার সেভাবে হয়তো সম্ভব হবে না। গবেষণার জন্য দাতা সংস্থাগুলোরও সীমাবদ্ধতা আছে। এটি একটি সামগ্রিক নীতির ব্যাপার, যেখানে রাষ্ট্রকেই উদ্যোগ নিতে হবে। যদি শিক্ষায় বাজেট বাড়ানো না হয় তাহলে গবেষণার বাজেটও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে না।
রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনে টাকা কমানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবি আবেদনের টাকা পুরোপুরি বাদ দেয়ার। প্রাথমিক আবেদনের পাশাপাশি চূড়ান্ত আবেদনের টাকা কমানোর কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা।
প্রাথমিক আবেদনে টাকা বাতিলের সুযোগ থাকলে আমরা পুরোটাই বাতিল করব। এটি আসলে সফটওয়্যারের ডিজাইন ও অথেনটিসিটির একটি জায়গা, যেখানে একটি এন্ট্রি থাকতে হয় এবং একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ থাকতে হয়, তা না হলে অথেনটিকেশন সম্ভব হয় না। আমার মনে হয়, সামনের বছর এটি হয়তো আর থাকবে না। এ বছরও আমাদের পরিকল্পনা ছিল কমানোর। চূড়ান্ত আবেদনের বিষয় নিয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা নেয়া হয়নি
গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা সংস্কারের কথা উঠেছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোন সংস্কার হওয়া প্রয়োজন?
গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা সবচেয়ে বেশি সংস্কারের বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু যেখানে সংস্কার হওয়া উচিত, সেই জায়গায় হচ্ছে না। সেটি হলো মগজে সংস্কার। মানসিকতার পরিবর্তন না হলে আসলে কোনো জায়গায়ই স্থায়ী সংস্কার হবে না।
এজন্য প্রত্যেককে আত্মপর্যালোচনা করতে হবে। আমরা যে নতুন বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে আছি, সেটিকে আগের চেয়ে সুন্দর করতে হলে আমাদের নিজেদের ভাবনায়ও পরিবর্তন আনতে হবে। কারণ আমরা যে বাংলাদেশকে অতিক্রম করে এসেছি, সেটাও কিন্তু এক ধরনের চিন্তারই ফসল। যদি সেই চিন্তার পরিবর্তন না হয় তাহলে আমরা আবার পুরনো বাংলাদেশেই ফিরে যাব।
আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব সংস্কার হওয়া প্রয়োজন তা হলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পঠন-পাঠনের পরিবেশ মুক্ত রাখবে, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে। আত্মসম্মানবোধ ছাড়া কেউ কিছু করতে পারে না। যে নিজেকে ছোট ভাবে তাকে দিয়ে কখনো বড় কিছু হবে না। আমরা এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীদের নিজেদের ছোট মনে না হয়। তবে এখানে আরেকটি বিষয় হলো শিক্ষার্থীরা যদি নিজেদের খুব বড় ভাবতে শুরু করে অথচ সেই ভাবনার সঙ্গে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে সেটাও বিপজ্জনক। সহজ সমাধান আমাদের হাতে নেই, তবে এ বিষয়ে ভাবার প্রয়োজন আছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক আধিপত্যের অভিযোগ তুলে রাবি শিক্ষার্থীরা ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের দাবিতে কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। এটা কীভাবে দেখছেন?
এটি মূলত শিক্ষার অভাব। এক কথায় শিক্ষার অভাব। যাদের প্রকৃত শিক্ষা আছে তাদের মধ্যে এ ধরনের আচরণ আসে না। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এদের অনেকের ডিগ্রি আছে কিন্তু শিক্ষা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম মুখ্য নয়। রাঙ্গামাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও যদি কেউ কোয়ালিফায়েড ও যোগ্য হয়, তাহলে সে আসতে পারে। প্রকৃত শিক্ষা থাকলে তারা এমনভাবে কমিটি তৈরি করবে, যেখানে প্রতিনিধিত্ব থাকবে, যোগ্যতা থাকবে, বৈচিত্র্য থাকবে। কিন্তু যদি প্রকৃত শিক্ষা না থাকে তাহলে তারা কুয়ো থেকে ব্যাঙগুলোকে তুলে নিয়ে আসবে। এটাকে কুয়োর ব্যাঙ বলছি আমি।
অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভার্সনে পড়ানো হচ্ছে, সিলেবাসেও ভিন্নতা রয়েছে। রাবির শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত মান উন্নয়নে এ জায়গাগুলোর পরিবর্তন প্রয়োজন আছে?
এটি আসলে একটি জটিল প্রশ্ন। এর সহজ উত্তর দেয়া কঠিন। মাতৃভাষায় যে ভালোভাবে ভাব প্রকাশ করতে পারে না, তার পক্ষে ইংরেজিতেও ভাব প্রকাশ করা কঠিন। কারণ আমাদের চিন্তাভাবনার ভিত্তি গড়ে ওঠে আমাদের নিজস্ব ভাষায়। কিন্তু একই সঙ্গে পৃথিবীর জ্ঞানভাণ্ডারের বেশির ভাগই ইংরেজিতে সংরক্ষিত। তাই এখানে একটি টানাপড়েন তৈরি হয়, আমাদের যদি উন্নত শিক্ষার সুযোগ চাই তাহলে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। আবার আমাদের মাতৃভাষার দক্ষতাও প্রয়োজন।
আমি এটিকে কোনো নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশনে বেঁধে দিতে চাই না। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আরো গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করা প্রয়োজন এবং আমাদের জন্য যেটা উপযুক্ত, সেটাই গ্রহণ করতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা করে যে শিক্ষার্থী বের হচ্ছে, ইউরোপের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিষয়ে পড়া শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার মান কেমন? আমরা দেখতে চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান অর্জন করছে কিনা। এটি অর্জন করার জন্য আমাদের যা যা করণীয়, তা-ই করতে হবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) রোডম্যাপ ঘোষণা হয়ে গেছে। রাকসু নির্বাচনের নির্দিষ্ট কোনো তারিখ নির্ধারণ হয়েছে কি বা কারা কারা নির্বাচন করতে পারবে—বয়স, শিক্ষাবর্ষ, সেশন এগুলো বিবেচনায় থাকবে?
আমরা এখনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করিনি। একটি পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব নেবে, এ মাসের মধ্যেই। আমি এটি তাদের হাতেই ছেড়ে দেব। তাদেরই এটি নির্ধারণ করতে হবে। এটি অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এটা খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি এবং এটি করা হবে। আর নির্বাচনে কারা দাঁড়াতে পারবে, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। আমরা এটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করব, যেখানে সবাই মতামত দিতে পারবে
সার্বিকভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা বা উদ্যোগ আছে কিনা।
আমাদের গবেষণাসহ সামগ্রিকভাবে আরো ভালো করতে হবে। র্যাংকিংয়ে প্রথম হয়েছি বলে খুশি হয়ে বসে থাকলে চলবে না, আমাদের আরো উন্নতি করতে হবে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি ও বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি। শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপের জন্য স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, গ্রামীণফোন ও ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছি। আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চলছে, যা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
আমরা এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করতে চাই, যেখানে অনিয়ম-অনাচার কঠিন হয়ে যাবে। আমি অনুভব করছি, আমি খুব বেশি দিন এখানে থাকব না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে এমন অবস্থায় রেখে যেতে চাই, যেখানে খারাপ কাজ করা কঠিন হয়ে যাবে। এরপর যারা থাকবে তারা এটি এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে সবকিছু সুন্দরভাবে চালানোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিশাল ভূমিকা রয়েছে। তাদের সদিচ্ছা এবং প্রচেষ্টা থাকলেই এটি সম্ভব। আমরা তাদের সঙ্গে আছি, তারা আমাদের সঙ্গে থাকবে—এটাই।