স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট ও নো-ফ্রিলস তথা কম টাকায় খোলা কৃষক, মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ভাতাভোগী এবং পর্ষদ থেকে অব্যাহতি পাওয়ারা ছাড়া অন্যদের জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করছি।’ এ প্রস্তাবের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন যে ‘বিদ্যমান ব্যাংক হিসাব সচল রাখতেও প্রস্তাবিত আইন প্রযোজ্য হবে’ এবং ‘সেন্ট্রাল ডেটা ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে এনবিআরের তথ্যভাণ্ডারকে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক, ইউটিলিটি সেবা, সাবরেজিস্ট্রি অফিস এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।’
প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষের যুক্তি: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে টিআইএন সংযুক্ত করার ফলে আশা করা হচ্ছে যে ব্যাংকিং সিস্টেমে গ্রাহকের তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া সহজ হবে। এভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলে অবৈধ অর্থপ্রবাহ, অর্থ পাচার এবং সন্দেহজনক লেনদেন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে। বেনামি হিসাব হ্রাস পেলে বা বন্ধ হলে তার নেতিবাচক প্রভাব থেকে অর্থনীতি মুক্তি পাবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আইনি পথে সেই অর্থ প্রবাহিত হয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে এবং করজাল বাড়বে। সর্বোপরি আর্থিক সঞ্চয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ব্যাংক ব্যবস্থা রয়েছে বলে সেই ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এলে রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার সুযোগ কমে যাবে।
এ প্রস্তাবের বিপক্ষে বেশকিছু মহল জোরালো আওয়াজ তুলেছে। এ মহলের শঙ্কাগুলো অনেকটা এমন। টিআইএন বাধ্যতামূলক করলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের অনেক মানুষ ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে চলে যেতে পারে। এতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য বাধাগ্রস্ত হতে পারে। অর্থাৎ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক সঞ্চয়কারীদের মাঝে ব্যাংকিংবিমুখতা বাড়বে। ফলে অনানুষ্ঠানিক পন্থায় ও হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন বাড়বে। ফলে ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট আরো তীব্র হবে ও প্রাতিষ্ঠানিক পথে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে দেশের ব্যাংক খাতে বর্তমানে যে আস্থা ও তারল্যের সংকট চলমান, এ সময়ে এ জাতীয় সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সেই সংকট আরো ঘনীভূত হবে। কারো কারো মন্তব্য, এ জাতীয় পদক্ষেপ সরকার-ঘোষিত ক্যাশলেস সমাজ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করবে।
বাজেট প্রস্তাবের সমালোচকদের বিভিন্ন আলোচনায় ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে টিআইএন সংযুক্তির একটি নেতিবাচক দিক অনুল্লেখিত রয়ে গেছে। বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য (সেন্ট্রাল ডেটা ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে) এক মঞ্চে এনে অনেককে তা ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করার ফলে আমানতকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি বাড়ে। ব্যক্তি তথ্যের সুরক্ষা না থাকলে প্রযুক্তির অপব্যবহারে যেমন অ্যাকাউন্ট তহবিল শূন্য হতে পারে, তেমনি যাদের তথ্য রয়েছে, তারা দুষ্টচক্রের চাঁদাবাজির শিকার হতে পারেন। উভয় ব্যাংক ও কর্মদপ্তরের ওপর আস্থা তৈরি ও রক্ষা করতে ব্যক্তি-তথ্যের সুরক্ষা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
প্রেক্ষাপট বর্ণনা ও অতীত নীতির পর্যালোচনা: এতদিন পর্যন্ত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন সনদ কিংবা অন্য কোনো পরিচিতির প্রমাণ দিয়ে ব্যক্তি ব্যাংক হিসাব এবং ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসায়িক ব্যাংক হিসাব খোলা যেত। অবশ্য ব্যাংক-আমানতের সুদ বা লভ্যাংশ সূত্রে আয়ের ওপর (আগাম আয়) কর উৎসে কাটার ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ থাকা বা না থাকার ভিন্ন তাৎপর্য রয়েছে। টিআইএন সনদ না দেখাতে পারলে মুনাফার ওপর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ৫ শতাংশ হারে (আগাম) কর কেটে রাখে। কর্তন হার ১০-১৫ অথবা ১৫-২০ শতাংশ হোক, সাধারণত একজন কর ফাঁকি দেয়া আমানতকারী অথবা একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিদেশী নাগরিক সংবিধানের স্বেচ্ছাচারী ব্যাখ্যার কারণে একটি এফডিআর (দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়পত্র) খুলতে পারেন। প্রতি এক লাখে (ন্যূনতম) ১০ হাজার টাকা পেয়ে তা থেকে মাত্র পাঁচশ টাকা অতিরিক্ত দায় থেকে মুক্ত হওয়ার সুযোগ তাকে স্বচ্ছ হতে উদ্বুদ্ব করবে, সে আশা করা কেবল এক অর্বাচীনের পক্ষেই সম্ভব। তবে বিপরীত অবস্থান থেকে দেখলে ওই ৫ শতাংশ অতিরিক্ত কর্তন থেকে মুক্তি পেতে আগ্রহী আমানতকারীরা বারবার ব্যাংকের দ্বারস্থ হয়ে প্রতি বছর কর দাখিলের সনদের কাগজ জমা দিয়েছেন।
প্রযুক্তিনির্ভর অ্যালগরিদম-ভিত্তিক (অংক ও যুক্তির প্রয়োগে) সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়ে আগ্রহী এনবিআরের কাছে তাই কিছু প্রশ্ন দাঁড়ায়। প্রথমত, ব্যাংকগুলো কি তাদের তথ্যভাণ্ডারে (ডেটাবেজে) টিআইএন-অ্যাকাউন্ট সংযোগ স্থাপন করেছে? সেই তথ্য কি বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের কাছে আছে? এনবিআর কি সত্যিই তা ব্যবহার করে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে আগাম আয়করের নামে কেটে রাখা অর্থ পাওয়া নিশ্চিত করেছে? নাকি ভ্যাট সংগ্রহকারী ব্যবসায়ীদের মতো আগাম আয়কর সংগ্রহকারীদের কেউ কেউ সেই অর্থ কোষাগারে জমা দেয়নি? দ্বিতীয়ত, ব্যাংক খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিধি সংস্থার কাছে দায়বদ্ধতার পরিপ্রেক্ষিতে আশা করা হয় যে ওপরে ব্যক্ত শঙ্কাগুলো অমূলক। সেক্ষেত্রে অনুমেয় যে এনবিআরের কাছে তথ্য আছে এবং তা বিশ্লেষণ করলে সনদ প্রদানকারী (১০ শতাংশ কর্তন) ও সনদবিহীন (১৫ শতাংশ কর্তন) অ্যাকাউন্টধারীদের মধ্যকার পার্থক্যগুলো জানা যাবে। এ কাজ কি করা হয়েছে? পিডব্লিউসি প্রতিবেদনে এ পার্থক্য সম্পর্কে কিছু ঢালাও ধারণা দেয়া হয়েছে, যার পক্ষে কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।
স্বল্পকালীন পরামর্শকদের ওপর নির্ভরশীলতা কাটিয়ে তথ্য বিশ্লেষণে এনবিআরের সক্ষমতা গড়ে উঠলে, তারা হয়তো ব্যাংক অ্যাকাউন্টধারীদের বৈশিষ্ট্য বুঝতে সচেষ্ট হবেন। যদি এমএফআই ও এমএফএস অ্যাকাউন্ট বাদ রেখে কেবল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট গণ্য করি, আমরা অ্যাকাউন্টধারীদের চারটি শ্রেণীতে ভাগ করতে পারি। প্রথম শ্রেণীর অ্যাকাউন্টধারীদের টিআইএন আছে ও তারা রিটার্ন জমা দেয়। এরা দৃশ্যত স্বচ্ছ। এ অ্যাকাউন্টগুলো টিআইএন পরিচিতিতে সংগতি সাপেক্ষে এনবিআর তথ্য যাচাই করতে পারে। দ্বিতীয় শ্রেণীর টিআইএন আছে কিন্তু তারা রিটার্ন জমা দেয় কিন্তু সনদ দেয় না। মূলত জমা প্রক্রিয়ার বিড়ম্বনার কারণে তারা সনদ জমা দেয়া থেকে বিরত থাকে। এ অ্যাকাউন্টধারীদের ব্যাংক লেনদেনের তথ্য কর দাখিলে গোপন রাখা সাপেক্ষেই এনবিআর যাচাই করতে পারে। তৃতীয় শ্রেণীটি রিটার্ন জমা দেয় না, তাই সনদও নেই। এরা করজালে থেকেও বাইরে থাকে। সম্ভবত ভিন্ন কোনো বাধ্যবাধকতা থেকে তারা টিআইএন নিয়েছিল। চতুর্থ শ্রেণীর টিআইএন নেই, তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। এরা করজালের বাইরে থাকলেও অর্থ লেনদেনের পরিমাণ যাচাইয়ের সুযোগ থাকে। আরেকটি শ্রেণী আছে যাদের অ্যাকাউন্টই নেই। মূলত সনদের কাগুজে কপি জমা দেয়ার বিধি থাকায় বিড়ম্বনা থাকে। তাই আমাদের দ্বিতীয় শ্রেণীর বিড়ম্বনা দেখা দেয়। বিড়ম্বনার কারণ হলো নির্দিষ্ট শাখার সঙ্গে অ্যাকাউন্টধারীদের সংযোগ হ্রাস পাওয়ায় শাখা কর্মীদের দায়বদ্ধতা নেই বললেই চলে। আবার প্রমাণস্বরূপ অসংখ্য কাগজ রক্ষণাবেক্ষণের খরচ প্রচুর। কিন্তু অডিটের নামে হেনস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই নানা অজুহাতে কর দাখিলের প্রমাণাদি জমা দেয়া থেকে বিরত রাখাটাই উত্তম মনে হতে পারে।
তবে এ দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণের সহজ উপায় রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র যেমন যাচাই-বাছাই করা হয়, তেমনি এনবিআরের তথ্যাভাণ্ডারে সরাসরি সংযুক্ত হয়ে ব্যাংকগুলো টিআইএন যাচাই করতে পারে। প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প যাচাই ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সনদ জমা দেয়ার নির্দেশ সম্ভবত এনবিআর কর্মকর্তাদের দায় এড়ানোর প্রচেষ্টা। সেই দায় যখন ব্যাংকের ঘাড়ে আসে, তা নিরীক্ষকদের (অডিটর) কাজ বাড়ায়। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে সোচ্চার ব্যাংক সম্প্রদায় এ সনদ জমার ব্যবস্থা থেকে মুক্তি চায় না কেন? মাঝেমধ্যে কর্মী পর্যায়ে বিরক্তি-প্রকাশ দেখা গেলেও এ খাতের প্রতিনিধিদের সনদ-বর্জনে আগ্রহের প্রকাশ গণমাধ্যমের নজরে পড়েনি। বরং আগে উল্লেখিত সনদের অভাবে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আগাম আয়করের নীতি দুই যুগ ধরে চলে আসছে এবং অনেকেই তা চালিয়ে নেয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। স্বভাবতই সংশয় জাগে, ভ্যাটের অংশে ভাগ বসানোর জন্য ব্যবসায়ীদের যেমন দুষ্ট করা হয়, তেমনি কি আগাম করের কিছু অংশ ব্যাংক লভ্যাংশে হারিয়ে যায়!
‘আমলা’নির্ভর সরকারি-বেসরকারি উভয় শাসন ব্যবস্থায় সনদের বাহুল্যতা দেখা যায় সবখানে। এখানে এক পক্ষ (এনবিআর) নির্দেশ দিচ্ছে তৃতীয় কোনো পক্ষকে (মিষ্টির দোকান বা ব্যাংক) যেন সে অগণিত দ্বিতীয় পক্ষের (করদাতা) কাছ থেকে নির্দিষ্ট নিয়মে অর্থ আদায় করে। যদি আদায়-নীতি সর্বজনীন হয়, বিশেষ ছাড়ের জন্য কাউকেই প্রমাণ দিতে হয় না। কিন্তু পূর্বনির্ধারিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে ছাড় দিতে চাইলে ছাড়পত্রের প্রয়োজন, যা সব ক্ষেত্রে সনদ হওয়া আবশ্যিক নয়। সনদের জন্য চতুর্থ পক্ষের প্রয়োজন হয়, যে সনদ দেবে এবং তার সঙ্গে সনদ গ্রহণকারী তৃতীয় পক্ষের ওপর নজরদারি করতে পঞ্চম পক্ষের (নিরীক্ষক) প্রয়োজন দেখা দেয়। এ জটিল প্রক্রিয়ার কারণে সম্ভবত প্রথম প্রস্তাব মেনে এনবিআর নিজ কাঁধে দায়ভার নিতে চাইবে না। তবে উল্লেখ্য, অস্বচ্ছ লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করার কারণে এ জটিলতা দেখা দেয়। এর স্পষ্ট অভিব্যক্তি দেখা যায় বাজেট বক্তব্যে, ‘স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট ও নো-ফ্রিলস তথা কম টাকায় খোলা কৃষক, মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ভাতাভোগী এবং পর্ষদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য টিআইএন দেয়া বাধ্যতামূলক নয়’ উক্তিতে। অপরিবর্তনশীল কোনো সত্তা থাকলে অসুবিধা হতো না। কিন্তু এ দেশে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা পাল্টেছে বহুবার, ধনী-গরিব কৃষকের অন্তরালে করযোগ্য ব্যক্তি থাকতেই পারে এবং রাজনীতির টানে ছাত্রাবস্থা মধ্য-বয়স পেরুতে পারে। ছাড়প্রাপ্তিতে এ জাতীয় অন্তর্ভুক্তি স্বচ্ছতা আনতে যেমন ব্যর্থ হবে, তেমনি অনেক সম্পদশালীর আয়কে কর্মজালে আনতে ব্যর্থ হবে।
উন্নয়ন খাতে এ ধরনের কর্মসূচিতে দৃশ্যমান ও সহজে যাচাইযোগ্য নির্দেশকের ভিত্তিতে ছাড় দেয়ার (বা সহায়তা করার) চল আছে। কিন্তু বাজেট বক্তব্যে প্রস্তাবিত নীতিতে যে নির্দেশকগুলো আগে উল্লেখ করলাম, তা এনবিআরের কাছে দৃশ্যমান নয়। তবে অ্যাকাউন্টধারী-টিআইএন সংযুক্তি প্রতিষ্ঠা করলে, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের ভিত্তিতে কে ছাড় পাবে এবং কে পাবে না, তা আরো স্বচ্ছ ও যৌক্তিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব হবে। অনুমেয় যে আমানতের ও প্রতিটি লেনদেনের জন্য সর্বোচ্চ সীমা (সিলিং) বেঁধে দিয়ে উদ্দেশ্য অনেক সহজে অর্জন সম্ভব। অ্যালগরিদমভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, স্বচ্ছতা এনে ব্যক্তি ও কর কর্মকর্তার অনাচার এবং স্বেচ্ছাচারী কর-ফাঁকি দেয়ার প্রবণতা দূর করার যে অপচয়মুক্ত সমাজের কথা সবাই বলছে, সনদবিহীন ছাড়ের প্রস্তাব তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
আমরা দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠার জন্য অ্যাকাউন্টের সঙ্গে টিআইএনের সংযুক্তি প্রতিষ্ঠা করলে আমরা তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার নিশ্চয়তা চাই। নির্বিচারে সনদ দেয়ার বিড়ম্বনা থেকে আমরা মুক্তি চাই। এনবিআর দায়ভার নিজের কাঁধে নিয়ে সহজে বাস্তবায়নযোগ্য তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেবে, এটাই প্রত্যাশা।
ড. সাজ্জাদ জহির: অর্থনীতিবিদ ও নির্বাহী পরিচালক, ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপ (ইআরজি)