অভিমত

৫০ বছরের অর্জন ও বিসর্জনের তালিকা কেন জরুরি

মহাকালের বিবেচনায় তো নয়ই, এমনকি আধুনিককালের রাষ্ট্র ও রাজনীতির ইতিহাস পর্যালোচনার প্রচলিত ধাঁচের মূল্যায়ন পদ্ধতির কাঠামোতেও ৫০ বছর এমন দীর্ঘ কোনো সময় নয়। তা সত্ত্বেও যে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের কখনই নিজস্ব ও স্বতন্ত্র কোনো স্বাধীন আবাসভূমি ছিল না, সেই সব মানুষ যখন প্রথমবারের মতো নিজেদের সামর্থ্য ও চিন্তা অনুযায়ী একটি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেল, তখন তাদের

মহাকালের বিবেচনায় তো নয়ই, এমনকি আধুনিককালের রাষ্ট্র ও রাজনীতির ইতিহাস পর্যালোচনার প্রচলিত ধাঁচের মূল্যায়ন পদ্ধতির কাঠামোতেও ৫০ বছর এমন দীর্ঘ কোনো সময় নয়। তা সত্ত্বেও যে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের কখনই নিজস্ব ও স্বতন্ত্র কোনো স্বাধীন আবাসভূমি ছিল না, সেই সব মানুষ যখন প্রথমবারের মতো নিজেদের সামর্থ্য ও চিন্তা অনুযায়ী একটি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেল, তখন তাদের জন্য সে রাষ্ট্রের ৫০ বছরপূর্তি উদযাপনকে তেমন দোষণীয় কিছু বলা যায় না। তবে সে উদযাপন ঘিরে আবেগের আতিশয্য ও রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের আকাঙ্ক্ষা যতটা কাজ করেছে, বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের দৃষ্টিভঙ্গি ততটাই অনুপস্থিত থেকেছে। অথচ বাংলাদেশের ৫০ বছরপূর্তি উদযাপনের উৎকৃষ্টতম পন্থা হতে পারত এ অর্ধশতকে কী কী অর্জন করা গেল এবং কীভাবে তা সম্ভব হলো তা নিরূপণের পাশাপাশি কী কী বিষয় অনর্জিত থেকে গেছে এবং কেন তা সম্ভব হয়নি তার কারণ চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া। কিন্তু রাষ্ট্রের আচরণ থেকে কখনই মনে হয়নি যে স্তুতি ও স্তাবকতামূলক প্রচার ছাড়া আর কোনো গঠনমূলক চিন্তাভাবনা এর উদ্যোক্তাদের মাথায় কখনো কাজ করেছে, পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণভিত্তিক মূল্যায়নের ধারণা তো অনেক দূরের কথা।

বাংলাদেশ তার ৫০ বছরে কী কী অর্জন করেছে, একনাগাড়ে প্রায় তিন বছর ধরে আমরা তার নির্ঘুম ও বিরক্তিকর প্রচার শুনেছি। আর এসব গৎবাঁধা ফিরিস্তি প্রচারের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক মুদ্রায় কোটি কোটি টাকা ও ডলার ব্যয়ও করা হয়েছে। কিন্তু এ ৫০ বছরে কী কী অর্জন করা গেল না বলে রাষ্ট্রের মানবিক চরিত্র কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ বছরের আগের চেয়েও অধিকতর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ল, তার একটি তালিকা তৈরির কথা একবারও ভাবা হলো না (৫০ বছরের অর্জনকে মোটেও ছোট করে দেখা হচ্ছে না)। অথচ যেসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, সেগুলোকে যাতে টেকসই ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনের জন্য সহায়ক করে তোলা যায়, তার জন্যই অনর্জনের তালিকা তৈরির কাজটি জরুরি ছিল। তবে তালিকাটি তখন না হলেও এখনো এর সুযোগ ও প্রয়োজনীয়তা কোনোটিই ফুরিয়ে যায়নি। বরং এখনো এ রকম একটি তালিকা তৈরি করা গেলে ওই তালিকার আওতাধীন অনর্জিত বিষয়গুলো কীভাবে সম্ভব দ্রুততম সময়ের মধ্যে অর্জন করা যায় তা নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা হতে পারে এবং সেসব আলোচনা থেকে প্রাপ্ত পরামর্শ ও মতামতের আলোকে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ও কর্মকৌশল গ্রহণ করা যেতে পারে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, অনর্জনের এ তালিকা কে তৈরি করবে? অবশ্যই সর্বাগ্রে তা রাষ্ট্রকেই করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্রের যে চরিত্র, তাতে রাষ্ট্রের কাছ থেকে এমন একটি বস্তুনিষ্ঠ তালিকা পাওয়া খুবই কঠিন। অতএব একই সঙ্গে তা ব্যক্তি, শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমেও হওয়া জরুরি। আর এ ধরনের তালিকা তৈরির বিষয়টিকে সব পক্ষেরই ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করি। কেননা সামগ্রিক জাতীয় স্বার্থের বিবেচনায় এটা তো মানতেই হবে যে, বৈষম্য ও অনাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে একটি শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন নিয়ে এ দেশ স্বাধীন হলো, ৫০ বছর-পরবর্তী আজকের এ রাষ্ট্রের অবয়বের সঙ্গে সে স্বপ্নের কোনো মিলই নেই। উল্লিখিত স্বপ্নের প্রাথমিক মুসাবিদা ছিল ১৯৫৬-এর ‘দুই অর্থনৈতিক তত্ত্ব’, যা পরে ছয় দফা হয়ে ১৯৭১-এ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে রূপ লাভ করে। আর সে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রেরই বাস্তবায়ন দলিল হচ্ছে ১৯৭২-এর সংবিধান। ১৯৭২-এর সংবিধানের মূল চেতনাই ছিল রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সব স্তরে জনগণের মতামত ও ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানো এবং সে প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে বায়াত্তরের পর থেকে সময় যত এগিয়েছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্র তার সৃষ্টি ও সংবিধানের চেতনা থেকে ততই দূরে সরে গেছে এবং তা সরতে সরতে এমন একপর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে একে আর কবে কীভাবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার ধারায় ফিরিয়ে নেয়া যাবে, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

১৯৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ‘‌বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করণার্থে’ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে এ রাষ্ট্রের গণপরিষদ গঠিত হলো। তো আজ ৫২ বছর পর বুকে হাত দিয়ে পবিত্র মনে বলুন তো, সম্পদসাম্য ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এ রাষ্ট্র একবিন্দু এগোতে পেরেছে কিনা? রাষ্ট্রের সামগ্রিক সম্পদের পরিমাণ হয়তো বেড়েছে। কিন্তু সম্পদবৈষম্য ও সামাজিক অনাচার দুই-ই কি আগের চেয়ে আরো প্রকট ও অমানবিক হয়ে ওঠেনি? তাহলে ১৯৪৮-এর ২১ মার্চে জিন্নাহর রাষ্ট্রভাষা-সংক্রান্ত স্বেচ্ছাচারি বক্তব্যের বিরোধিতার মধ্য দিয়ে যে প্রতিবাদ-আন্দোলনের শুরু এবং নানামাত্রিক ত্যাগ ও আত্মবিসর্জনের মধ্য দিয়ে পরবর্তী ২৩ বছরে যা কুঁড়ি থেকে মহীরুহ হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম, সেই ত্যাগ ও বিসর্জনের কী মূল্য থাকল?

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গত ৫০ বছরের সরকারগুলোর প্রত্যেকের মধ্যেই একটি অভিন্ন সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা গেছে যে তারা সবাই তাদের চতুর্দিকে নিরন্তর শনৈ শনৈ গুণগান শুনতে চেয়েছে এবং তা বুঝতে পেরে রাষ্ট্রের চতুর আমলাতন্ত্রও নিজেদের সেভাবেই প্রস্তুত করে নিয়েছে। ফলে আমলাদের কাছে কোনো রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ জানতে চাওয়ার মানেই হচ্ছে বাস্তব অবস্থাকে পাশ কাটিয়ে চারপাশের তথ্যকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে এমনভাবে তুলে ধরা যা প্রকৃত অবস্থাকে নির্দেশ না করলেও বর্ণনাদৃষ্টে কেবল আলোকোজ্জ্বলই মনে হবে। অন্যদিকে সব ক্ষমতাসীনই এসব বিবরণকে ক্ষমতায় টিকে থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ একটি প্রায় সর্বজনবিদিত ঘটনার কথা উল্লেখ করি। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে বেশি বেশি নম্বর দিয়ে ভালো ফলাফল সৃষ্টিকে শিক্ষার উন্নয়ন হিসেবে প্রচারের আত্মঘাতী কাজটি রাজনৈতিক নির্দেশনায় আমলারা বেশ ভালোভাবেই করলেন। কিন্তু তাতে শিক্ষার যে ক্ষতিটা হলো, তা থেকে বেরোনো কি কখনই সম্ভব হবে?

তো এ রকম একটি রাজনৈতিক-আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে ৫০ বছরের অনর্জনের তালিকা তৈরি করাটা সত্যি অত্যন্ত কঠিন কাজ, তবে অসম্ভব নয়। এক্ষেত্রে প্রধান সুবিধা এই যে ওই তালিকা তৈরির জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্তও হাতের কাছে যথেষ্টই রয়েছে। মোটাদাগে এ পর্যন্ত বাস্তবায়িত সাতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দলিলে উল্লিখিত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বাস্তব অগ্রগতি ও অসংগতিগুলো পর্যালোচনা করলে অনর্জনের জায়গাগুলো খুব সহজেই স্পষ্ট হয়ে ওঠবে বলে আশা করা যায়। ১৯৯১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নেতৃত্বে বিভিন্ন খাতভিত্তিক যে টাস্কফোর্স প্রতিবেদনগুলো প্রণয়ন করা হয়েছিল, সেগুলোও এ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সহায়ক হতে পারে বলে মনে করি। এছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বিভিন্ন জরিপ প্রতিবেদনের তথ্যেরও সাহায্য নেয়া যেতে পারে। তবে বিবিএসের তথ্য যেহেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ফরমায়েসি ও অনির্ভরযোগ্য, সেহেতু এগুলোকে পর্যাপ্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। এর বাইরে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত গবেষণার তথ্য ও ফলাফলকেও এক্ষেত্রে বিবেচনা করা যেতে পারে।

উল্লিখিত অনর্জনের তালিকা সব খাতের জন্যই হতে হবে। তবে যে খাতগুলোর অনর্জনের তালিকা মোটাদাগে অতি সাধারণ চোখেও ধরা পড়ে, সেগুলোর দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। যেমন শিক্ষা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, সংসদীয় কার্যক্রম, নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, পরিবেশ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, দুর্নীতি দমন, আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিতা, জনস্বাস্থ্য, পুষ্টিসমতা, বৈদেশিক সাহায্য ইত্যাদি। তবে মনে রাখতে হবে যে এ খাতভিত্তিক তালিকা প্রণয়নের উদ্দেশ্য কোনোভাবেই কারো দায় চিহ্নিতকরণ নয়। বরং সম্মিলিত দায়ের আওতায় যে বিষয়াদি এখনো অর্জন করা সম্ভব হয়নি বলে অর্জনের জায়গাগুলো সাধারণ মানুষের জীবনে কাঙ্ক্ষিত উপযোগ বয়ে আনতে পারছে না বা অর্জনগুলো টেকসই হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করাই হবে এ তালিকা তৈরির মূল লক্ষ্য। ফলে এতে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর খুশি বা অখুশি হওয়ার কিছু নেই।

পঞ্চাশ বছরের পর এরই মধ্যে আরো প্রায় দুই বছর পেরোতে চলছে। ফলে কাজটি যত দ্রুত শুরু করা যায় ততই মঙ্গল। তবে দুই বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর কাজটি শুরু করার একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ঠিক ৫০ বছর পূর্তির মুহূর্তে কাজটি করা হলে জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে তাতে কিছুটা আবেগও হয়তো যুক্ত হয়ে যেত, যা বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা ও মূল্যায়নের একটি বড় বাধা। তাছাড়া উদযাপনের ডামাডোলে কাজটি হয়তো তখন স্বতন্ত্র গুরুত্ব নাও পেতে পারত। এ অবস্থায় এটিই ওই মূল্যায়নের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বলে মনে করি। আর ওই মূল্যায়নের বস্তুনিষ্ঠ সুপারিশগুলোই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আগামী ৫০ বছরের পথচলার অন্যতম রূপরেখা হয়ে ওঠতে পারে বলে মনে করি।

পরিশেষে, বাংলাদেশে রাষ্ট্রের প্রথম ৫০ বছরের সাফল্য ও ব্যর্থতার আলোকে এর পরবর্তী ৫০ বছর আরো উজ্জ্বল হয়ে ওঠুক—এরূপ গৎবাঁধা উচ্চারণ না করে চলুন যতটা সম্ভব বাস্তব তথ্যের আলোকে শেষ বাক্যটি সাজাই। চলুন স্বীকার করি যে গত ৫০ বছরে এ দেশ যতটুকু এগিয়েছে, তার সিংহভাগই ঘটেছে মূলত এ দেশের খেটে খাওয়া কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের ঘাম ঝরা পরিশ্রমের বদৌলতে। কিন্তু এর কৃতিত্ব ছিনতাই হয়ে গেছে শ্রমবিচ্ছিন্ন সুবিধাবাদী রাজনীতিক, ধূর্ত বণিক, মুৎসুদ্দি আমলা আর সামাজিক টাউট শ্রেণীর হাতে। আর এ ৫০ বছরে অর্জন যতটা ঘটেছে, সে তুলনায় বিসর্জনের তালিকাও নেহাত কম নয়। সামাজিক ঐক্য ও সংহতির শক্তি, শ্রমজীবী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রতিবাদী সত্তা, ভোগের চেয়ে সুষম বণ্টনকে অগ্রাধিকারদানের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি প্রায় সবই গত ৫০ বছরে আমরা হারিয়েছি। সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ হয়তো বেড়েছে। কিন্তু বর্ধিত সে সম্পদ সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের জীবনে তেমন কোনো উপযোগই যে বয়ে আনতে পারেনি! সম্পদবৈষম্যের চেহারা নিষ্ঠুর হতে হতে তা এমনই এক অবয়ব ধারণ করেছে যে সেদিকে তাকালে কেবলই মনে হয়, এরূপ একটি নির্দয় সমাজ দেখার জন্যই এত মানুষের বুকের রক্তে এ দেশ স্বাধীন হলো! এ নিবন্ধে প্রস্তাবিত মূল্যায়ন কাজটি নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করা গেলে এসব প্রশ্নের কিছু জবাব অন্তত পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।

আবু তাহের খান: সাবেক পরিচালক 

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন, শিল্প মন্ত্রণালয়

আরও