জুলাই অভ্যুত্থান

চব্বিশের অভ্যুত্থান যে কারণে অনিবার্য হয়ে উঠেছিল

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র না থাকলেও ভারতে অবস্থিত অস্থায়ী প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীনতা যুদ্ধের লিখিত ঘোষণাপত্র পাঠ করে।

স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সংকট হচ্ছে সবার কাছে ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য কোনো রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করা যায়নি অথবা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য কোনো বক্তব্য এখনো তৈরি করতে পারেনি, যার ভিত্তিতে পুরো জাতি একত্র হতে পারে চিন্তায়, মননে ও কর্মে, যদিও ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজস্ব কর্মসূচির আলোকে তার রাজনীতি করবে। ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ‘ছয় দফা’ ছিল সাম্প্রতিক সময়ে এ জমিনের জনগণের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যার ভিত্তিতে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে জনমানসে (পূর্ব পাকিস্তান) আওয়ামী লীগের উত্থান ঘটে।

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র না থাকলেও ভারতে অবস্থিত অস্থায়ী প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীনতা যুদ্ধের লিখিত ঘোষণাপত্র পাঠ করে। যাদের চিন্তার ফসল ছিল সেই ঘোষণাপত্র, তারা যে পরিষ্কারভাবেই ফরাসি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব দ্বারা ব্যাপকমাত্রায় প্রভাবিত ছিলেন, সেটা সহজেই অনুমেয় ছিল; আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও কমিউনিস্ট ইশতেহারের বিভিন্ন দিকও সেখানে প্রাসঙ্গিকভাবে উঠে আসে। মদিনায় হিজরতের পরে ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে স্বাক্ষর করা ‘মদিনা সনদ’-এ উল্লেখিত ইনসাফ, ধর্ম পালন ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্বকে স্বীকার করার যে ন্যায্যতা ছিল, তাও এখানে সমভাবে উঠে এসেছে; নয় মাসের জনযুদ্ধকে বৈষম্যের বিপক্ষে ‘জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘোষণাপত্রের শুরুর অংশে পাকিস্তানের সঙ্গে তালাকনামার কারণ বর্ণনা করে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ নামক নতুন রাষ্ট্র ঘোষণার প্রেক্ষাপট ও চরিত্র তুলে ধরা হয়। এটা যে রাজ্য না বা কোনো ভিনদেশী ব্যক্তি বা পরিবারের উপনিবেশ নয়, সেটা পরিষ্কার করা হয়েছিল ‘গণপ্রজাতন্ত্র’ শব্দযুগল দিয়ে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল কিসের ভিত্তিতে এই রাষ্ট্র শাসন করা হবে, যা আগের পাকিস্তান রাষ্ট্র থেকে আলাদা হবে, বৈষম্যহীন হবে, সেটা উল্লেখ করা হয়েছিল: সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার।

১৯৭২ সালের নভেম্বরে সংবিধান প্রণয়নের ক্ষেত্রে চার দফা মূলনীতির উল্লেখ করা হয়েছে: ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র, যা শুধু সংবিধানেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের দলীয় সংবিধানেও জায়গা করে দেয়া হয়েছে, যদিও স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ছিল না। এই সাংবিধানিক কাঠামোয় তৃতীয় ও চতুর্থ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়, ‘গণতন্ত্র’ নামক সাংবিধানিক মূলনীতির কবর রচিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল (জেনারেল) ওসমানী, ব্যারিস্টার মঈনুলের মতো গুণীজনদের পদত্যাগ করতে হয় একদলীয় শাসনের প্রতিবাদে।

চাকমাসহ সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করে বাঙালি জাতীয়তাবাদ কায়েম করা গেলেও রাষ্ট্রের সংহতি প্রশ্নের মুখে পড়ে। সমাজতন্ত্র কায়েম করতে গিয়ে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ব্যতীত দেশের সব কলকারখানাকে গণহারে জাতীয়করণ করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অদক্ষ ব্যবস্থাপনা ও লুটপাট দেশের অর্থনীতির চাকাকে স্থবির করে দেয়। সব মিলিয়ে চার মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে দেশ পরিচালনা একরকম ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায়।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পটপরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে সংবিধানের চার মূলনীতিতে আবারো পরিবর্তন আসে। ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদকে ভূখণ্ডভিত্তিক বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে রূপান্তর করা হয়। ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ হিসেবে প্রতিস্থাপন করা হয়। সমাজতন্ত্রকে পুঁজি ও ব্যবসাবান্ধব করে ‘সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার’ অর্থে ব্যাখ্যা করা হয়। কিন্তু এ পরিবর্তন ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পেলেও আওয়ামী ও বাম ঘরানার সমর্থকগোষ্ঠী কখনো মেনে নিতে পারেনি।

ভারতসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেকেই ইসলামসংক্রান্ত বিষয়ে যথেষ্ট নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ যোগ ও অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করায় এ অস্বস্তি আরো বাড়ে। প্রতিক্রিয়া হিসেবে বাম ও জাসদের অব্যাহত সামরিক ক্যু ও প্রতিবিপ্লব দেশকে অনিবার্য বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়। পর পর দেশের দুই জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতিকে প্রাণ দিতে হয় ছয় বছরের ব্যবধানে। বিএনপি-আওয়ামী লীগ ক্ষমতার পালাবদলে সংবিধানের শাসনতান্ত্রিক মূলনীতিও বারবার পরিবর্তন হয়েছে। প্রশ্ন হলো আর কতদিন এভাবে চলবে?

দুঃখজনক হলেও সত্য যে যখন স্বাধীন দেশের সংবিধান প্রণয়ন করা হয় তখন দেশ পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সেই তিন ঐতিহাসিক মূলনীতিকে উল্লেখ করা হয়নি, এখনো নেই। বরং সংবিধানের প্রারম্ভিক অংশে এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে রাষ্ট্র ও সংবিধানের এমন চারটি মূলনীতির কথা বলা হয়েছে যা মূলনীতি হওয়ার মতো না, অনেকাংশে সাংঘর্ষিক আবার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে উল্লেখও ছিল না। ঠিক কিসের ভিত্তিতে এ চারটা মূলনীতি করা হলো, তা এখনো পরিষ্কার না, স্নায়ুযুদ্ধের চলমান বাস্তবতা হয়তো বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। এভাবেই ১৯৭২ সালের নভেম্বরে গৃহীত সংবিধান আমাদের মুক্তির লড়াইয়ে প্রথমেই কুঠারাঘাত করে। ১৯৭০ সালের পাকিস্তান গণপরিষদে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের মুক্তির লড়াইকে ধারণ করতে ব্যর্থ হন, যা সংবিধান প্রণয়নসংক্রান্ত গণপরিষদ বিতর্কে পরিষ্কার হয়ে ওঠে। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বদলে শতধাবিভক্ত করে ফেলে।

যে ঘোষণাপত্র হতে পারত আমাদের রাষ্ট্র বিনির্মাণের ম্যাগনাকার্টা, সেটা এখন জাতির স্মৃতি থেকেই ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। জাতির মুক্তিযুদ্ধকে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রচারের খণ্ডিত ইতিহাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে বিভক্ত করে চলেছে। কিন্তু দেশের আপামর জনগোষ্ঠী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রকে সর্বজনীন হিসেবে মেনে নেয়ার সুযোগ ছিল।

দেশে যারা মতাদর্শিক রাজনীতি করেন তাদের মধ্যে বামপন্থী ও ইসলামপন্থী দল ও তাদের সমর্থকগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। যেহেতু স্বাধীনতার তিন মূলনীতি: সাম্য, মানবিক মর্যাদা আর সামাজিক সুবিচারকে সমাজতন্ত্রীরা প্রগতিশীল ধারণা হিসেবে বিবেচনা করেন, সেগুলো নিয়ে তাদের আপত্তি থাকার কথা না। আবার যারা ইসলামপন্থী রাজনীতি করেন, তাদের কাছেও এই তিনটি মূলনীতি নিয়ে কোনো বিতর্কের সুযোগ ছিল না। কারণ কুরআন-হাদিসে এই তিনটি মূলনীতি নিয়ে শত শত বক্তব্য আছে; প্রতি জুমার খুতবায় ইনসাফ ও সুবিচারের কথা বারবার মনে করিয়ে দেয়া হয় মুসল্লিদের। মানুষকে ‘আশরাফুল মাখলুকাত’ বা সৃষ্টির সেরা বলা হয়েছে; এর থেকে বড় মানবিক মর্যাদার কথা আর কী হতে পারে। মানুষকে তার কাজের (আমল/সৎ কর্ম) ভিত্তিতে সমান পুরস্কার ও শাস্তি দেয়ার কথা বলা হয়েছে; যেটা নারী-পুরুষ, জাত-জাতীয়তা, গোত্র, বর্ণ পরিচয়ের ঊর্ধ্বে; আরব এবং অনারবের সম্মান শুধু তার কর্ম—এটাই সাম্যের কথা।

ইসলামের বাইরে এ জনপদে যেসব ধর্ম ও ধর্মীয় গোষ্ঠী আছে, তাদের কেউই কখনো এ তিন মূলনীতি নিয়ে তাদের কোনো সংকোচের কথা বলেনি। বরং অনেক ইসলামী দল এই তিন মূলনীতিকে তাদের দলীয় গঠনতন্ত্রে পর্যন্ত জায়গা দিয়েছে। মতাদর্শের বাইরে বড় যে দলগুলো রয়েছে তাদের কোনো নেতাকর্মী কখনই এই তিন মূলনীতি নিয়ে আপত্তি তোলেনি। যুগের পর যুগ ধরে চলা বিভাজন আমাদের রাষ্ট্রসত্তাকে শুধু দুর্বল করে দেয়নি, তাকে গঠিত হতেই দেয়নি। জাতীয় শত্রু-মিত্র না খুঁজে বিরোধী দল ও আদর্শ বা মতাদর্শের লোকদের প্রতিনিয়ত শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা ও তাকে নির্মূল করে দেয়ার প্রয়াস আমাদের রাজনৈতিক সম্প্রদায় হিসেবে গড়ে উঠতে দেয়নি।

যে বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে এত গর্ব করা হয়, সেটা যে এ জাতিসত্তার বিভক্তির মূল উপকরণ, সেটা নিয়ে কোনো আলাপ তোলা হচ্ছে না। তাহলে এ বিভক্ত জাতিকে ন্যূনতম ঐক্যের জায়গায় কীভাবে আনা যায়? যে বিষয়ে সব ধর্মের অনুসারী ও রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্য প্রকাশ করবে। দেশের প্রতিটি আইনকানুন, নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত তিনটি মূলনীতি আমাদের রাষ্ট্রকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করার গুরুত্বপূর্ণ সনদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সেজন্য প্রয়োজনে সংবিধান নতুন করে আবার লিখতে হবে সবাইকে নিয়ে, মতামত যাচাই, ব্যাপকভিত্তিক বিতর্ক আর পর্যালোচনা করে গণভোটে দিতে হবে। এভাবেই হতে পারে ভঙ্গুর জাতিসত্তাকে পুনরায় চিন্তায়, কর্মে, মননে একত্র করা, নতুন রাজনীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রকে বিনির্মাণ করা; শুরুটা হোক একটা গ্রহণযোগ্য বয়ানের মধ্য দিয়ে।

সংকট পেরিয়ে নতুন রাজনীতি: শত্রু-মিত্র ও জাতীয় স্বার্থ নির্ধারণ

আমাদের গত পাঁচ-ছয় দশকের রাজনীতির সবচেয়ে বড় সংকট হলো জাতিসত্তা গঠন ও তার মননশীলতার বিকাশে সে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেনি। শুধু ক্ষমতার বলয়কেন্দ্রিক হাতিয়ার ও লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করতে গিয়ে ছাত্রসমাজের শুধু অপূরণীয় ক্ষতিই হয়নি, বরং পুরো রাজনীতির ব্যাপারেই একটা অনীহা জন্মেছে যার ফলাফল হচ্ছে সৎ, মেধাবী ও চৌকশ তরুণরা বেশি মাত্রায় ক্যারিয়ারপ্রিয় হয়ে উঠেছে, দেশ বা জাতির সেবা করার কোনো প্রত্যয় বা আকাঙ্ক্ষা তাদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে না।

একটা জাতির গঠন ও বেঁচে থাকার সবচেয়ে মৌলিক উপাদান হচ্ছে তার ‘অপর বা The Other’ কে চিনতে পারা। নাগরিক হিসেবে ব্যক্তি, বিশেষ করে তরুণ ছাত্রসমাজ, কোন কোন মূল্যবোধকে ধারণ করবে, সেটা কখনো এ রাষ্ট্র শেখায়নি। এ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি কী বা কারা? জাতি গঠন আর রাষ্ট্র বিনির্মাণে তার ভূমিকা কী হবে বা হওয়া উচিত সে সচেতনতার কোনো শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই তাকে ছাত্রজীবন শেষ করতে হচ্ছে। এ রকম মৌলিক প্রশ্নগুলো নিয়ে দুঃখজনকভাবে দেশের মূলধারার রাজনৈতিক সংগঠনগুলো সত্যিকারের রাজনীতিটা কোনোদিন করেনি বা করতে শেখেনি। তাই দেশের কোটি কোটি বাসিন্দা আর নাগরিক হয়ে উঠতে পারেনি, একটা স্বাধীন ভূখণ্ডকে রাষ্ট্র বানাতে পারেনি।

২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের আগে গত এক দশকে জাতি ন্যূনতম তিনটি ‘রাজনৈতিক ধাঁচের অরাজনৈতিক’ আন্দোলন দেখেছে: ২০১৮ সালে সরকারি চাকরিতে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত কোটা বাতিল করার দাবিতে হওয়া আন্দোলন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন আর সর্বশেষ নিরাপদ সড়কের দাবিতে কিশোর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। প্রত্যেকটা আন্দোলন শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট হলেও এর নেতৃত্বে দেশের কোনো রাজনৈতিক সংগঠন ছিল না। এটা প্রমাণ করে যে চলমান রাজনীতির প্রতি দেশের জনগণের বীতশ্রদ্ধতা কোন পর্যায়ে গড়িয়েছে। প্রায় সব সংগঠন বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কারণে পুরোদস্তুর অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে এবং এভাবেই রাজনৈতিক ডাইনোসরে পরিণত হবে।

ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ: সাধারণ সম্পাদক, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)

আরও