বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি! কিছুটা হয়তো,
বেশিরভাগটাই তো অজানা। আর এই না জানা বিষয় অনেক সময় বয়ে আনে উটকো বিপদ। এই ধরুন, হালের
নায়িকা জয়া আহসান ফিটনেস ধরে রাখার জন্য দিনে কয়টা করে ডিম খান, খাবার তালিকায় আর কী
কী আছে— সে গল্পের খোঁজে
পত্রিকার পাতায় ভক্তদের চোখ। শরীর ঠিক রাখতে বলিউড বাদশা শাহরুখ খান এককালে দিনভর শুধু
তন্দুরি চিকেন খেতেন বলেও শোনা যায়। আর সেসব চার্ট দেখে অনেকেই নিজের লাইফস্টাইলের
পরিকল্পনা সাজান। তারকাদের মতোই চেহারা পেতে হবে যে! অথচ বয়স, উচ্চতা, ওজন, শারীরিক
অবস্থাসহ আরো অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে তবেই একজনের জন্য উপযুক্ত ডায়েট চার্ট তৈরি
করা হয়। সেটিও করেন কোনো বিশেষজ্ঞ, যা কখনো অন্যের জন্য কার্যকর নয়।
ইদানিং আবার চটজলদি ওজন কমানোর জন্য বাঙালিদের
মধ্যে কিটো ডায়েট মেনে চলার হিড়িক পড়েছে। মাত্র এক সপ্তাহ মেনে চললেই কেল্লাফতে! ওজন
কমে যায় কয়েক কেজি। ভয়টা সেখানেই। কারণ এ ডায়েটকে বেশিরভাগ চিকিত্সকই বলছেন অস্বাস্থ্যকর।
তাদের মতে, সুস্থ শরীরকে অসুস্থ করে তুলতে এর জুড়ি মেলা ভার! কেননা না জেনে, না বুঝে
কতটা খেলে বা কতটা না খেলে বিপদ হতে পারে— সেটা আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না। বলিউড অভিনেত্রী
মিষ্টি মুখোপাধ্যায়ও সম্ভবত সেটা বোঝেননি। ওজন কমাতে অনুসরণ করছিলেন কিটো ডায়েট। দীর্ঘ
দিন ধরেই স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছিল। সেটাকে সাফল্য ধরে চালিয়েও যান। পরিণতি অকাল মৃত্যু।
কিটো ডায়েটের ফলে বিকল হয়ে পড়েছিল মিষ্টির কিডনি, চিকিত্সকরা তাই জানিয়েছিলেন। দেশের
বাইরে ও দেশের এমন বেশকিছু ঘটনা ঘটার পরই সমালোচনার মুখে পড়েন ডা. জাহাঙ্গীর কবির,
যিনি বাংলাদেশে সাধারণের কাছে কিটো পদ্ধতিকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন।
কিটো ডায়েট বা কেডিতে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট,
প্রোটিন খাওয়া হয়। সে তুলনায় কার্বোহাইড্রেট কম থাকে। এটা সাধারণত ডায়াবেটিক রোগীদের
জন্য খুব সহায়ক কারণ তাদের রক্তে ইনসুলিন ও সুগারের মাত্রা কম থাকে। পুষ্টিবিদরা বলছেন,
এ ডায়েট মৃগী রোগ আছে এমন শিশুদের জন্যও উপকারী। কিন্তু অনেকেই না জেনে, না বুঝে শুধু
ওজন কমানোর জন্য এটি অনুসরণ করেন। অথচ খাবারে কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের মাপ ঠিক
রাখতে না পারলে শরীরে কিটোন বা কিটোসিস নামে এক ক্ষতিকর পদার্থের পরিমাণ বাড়তে থাকে,
মাংসপেশী ক্ষয়ে যায়। ক্লান্তি, অপুষ্টি, পানিশূন্যতা, হৃদস্পন্দনের ত্রুটিজনিত রোগ,
গলস্টোন ইত্যাদির আশঙ্কা তো থাকেই। আবার ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কম খাবারের
সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওষুধের মাত্রা না কমালে সুগার বা রক্তচাপ অনেক কমে গিয়ে পরিস্থিতি
ঘোরাল হতে পারে। কাজেই চিকিত্সক ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া ডায়েট শুরু মানেই মৃত্যুকে
নিমন্ত্রণ জানানো।
সম্প্রতি ডা. জাহাঙ্গীর কবিরকে নিয়েও বিতর্ক
ওঠেছে যে, তিনি অপচিকিত্সা দিচ্ছেন। তার পরামর্শ নিয়ে অনেকের স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে
বলেও অভিযোগ। আবার স্বাস্থ্যবান হওয়ার তালিকাটাও নেহাত কম নয়।
ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়ার কারণে প্রতিনিয়তই
সহপাঠী, এমনকি শিক্ষকদের বুলিং ও বডি শেমিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড
কলেজের বনশ্রী শাখার দশম শ্রেণির ছাত্র সামিনকে। ২০২০ সালের জুন-জুলাইতে তার ওজন ছিল
৯৩ কেজি। তাই ইন্টারনেট দেখে শুরু হয় কিটো ডায়েট। মাস ছয়েকের চেষ্টায় অর্থাৎ ডিসেম্বরে
ওজন কমে দাঁড়ায় ৬০ কেজি। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে তার শারীরিক কিছু পরিবর্তন নজরে আসে
পরিবারের। সামিনের পায়ের গোড়ালি ফুলে যায়, হারায় স্বাভাবিক প্রাণচাঞ্চল্য। প্রায়ই অসুস্থ
হয়ে পড়ে। চিকিত্সকের পরামর্শে তাকে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ডায়েটিশিয়ান, সাইেকালজিস্ট ও
সাইক্রিয়াটিস্টের তত্ত্বাবধানে চিকিত্সা দেয়া শুরু হয়। কিন্তু ততদিনে তার ইমিউনিটি
কমে যায় একেবারে। ওজনও কমে যাচ্ছিল খুব দ্রুত। মে মাসের দিকে তার ওজন নেমে দাঁড়ায় ২৯
কেজি! ওই বছরের ২৬ জুন ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মেধাবী
এ কিশোরের।
ওয়াশিংটনের ফিজিসিয়ানস কমিটি ফর রেসপন্সিবল
মেডিসিনের নিউট্রিশন এডুকেশন ম্যানেজার ও পুষ্টিবিদ লি ক্রসবি সম্প্রতি কিটো ডায়েট
নিয়ে বিশ্লেষণমূলক গবেষণা করেন। তার সেই গবেষণা প্রকাশিত হয় ‘ফ্রন্টিয়ারস অব নিউট্রিশন’ শীর্ষক সাময়িকীতে।
সেখানে তিনি ওই খাদ্যাভ্যাসকে বিপজ্জনক আখ্যা দেন। লি দাবি করেন, কিটো ডায়েটের সঙ্গে
জড়িয়ে আছে সাতটি প্রাণঘাতী রোগ। এর মধ্যে কয়েকটি আবার ওই খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে নিরাময়
হয় বলে ধারণা সাধারণ মানুষের। অথচ ডায়েটটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন
জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এ খাদ্যাভ্যাস অনুসরণের কারণে অনেকের রক্তেই কোলেস্টেরল বাড়তে
দেখা গিয়েছে। যাদের কিডনির দুর্বলতা আছে তাদের কিডনি হয়ে যেতে পারে একেবারে অকেজো।
আবার গর্ভবতী মা কিটো ডায়েট অনুসরণ করলে শরীরে কার্বোহাইড্রেটের অভাবে নবজাতকের নিউরাল
লোব অপরিণত থেকে যেতে পারে। এমনকি কিডনিতে পাথরসহ বিভিন্ন জটিলতা, গলব্লাডার স্টোন,
প্যানক্রিয়াসের জটিলতা, থাইরয়েডের সমস্যা, হজমশক্তি কমে যাওয়া, চুল পড়া বেড়ে যায়। মস্তিষ্কের
প্রধান খাবার হলো গ্লুকোজ, যা স্বাভাবিক অবস্থায় শর্করা ভেঙে তৈরি হয়। তাই দীর্ঘমেয়াদে
কিটোতে স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। এছাড়াও ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেয়,
হারিয়ে যায় ঔজ্জ্বল্য।
যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ন্যাশনাল সেন্টার ফর হেলথ
স্ট্যাটিসটিকসও ১৯৯৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ২৪ হাজার ৮২৫ জনের ওপর এ বিষয়ে একটি গবেষণায়
জরিপ চালায়। এতে দেখা গিয়েছে, কম শর্করাগ্রহণকারীদের হার্ট অ্যাটাক ও অন্যান্য হৃদরোগ,
ব্রেইন স্ট্রোক এবং ক্যান্সারে মৃত্যুর আশঙ্কা যথাক্রমে ৫১, ৫০ ও ৩৫ শতাংশ বেশি। আর
এসব কারণে দেশ-বিদেশের স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা কিটোর ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে বেশ সরব হয়েছেন।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, কিটো
আসলে সর্বসাধারণের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত কোনো ডায়েট নয়। মূলত থেরাপডিউডিক ডায়েট হিসেবে
এপিলেপসি বা মৃগী রোগীদের জন্য গবেষণার মাধ্যমে এ খাদ্যতালিকাকে সাজানো হয়েছিল। এসব
রোগীর সুস্থতার কথা মাথায় রেখেই অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানকে বাদ দেয়া হয় এ তালিকা
থেকে। বরং হাই ফ্যাট, হাই প্রোটিন ও অল্প কার্বোহাইড্রেট দিয়ে এ ডায়েট চার্ট সাজানো
হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কারের পর সেটিও গ্রহণযোগ্য নয় বলে বলা হয়েছে। কারণ
সাইড ইফেক্ট হিসেবে অতিরিক্ত ওজন হ্রাসের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য জটিলতাও দেখা
দিত এ খাদ্যাভাসের কারণে।
স্বাভাবিক ডায়েটে আমরা দৈনিক শক্তির চাহিদার
৫৫-৬০ শতাংশ পাই কার্বোহাইড্রেট থেকে, ১৫-২০ শতাংশ প্রোটিন এবং ২৫-৩০ শতাংশ পাই ফ্যাট
থেকে। কিন্তু একজন ব্যক্তি যখন কিটো ডায়েট করেন, তখন তার খাদ্যের ৭৫ শতাংশ নেন ফ্যাট-চর্বি
থেকে, ২০ শতাংশ প্রোটিন-আমিষ এবং মাত্র ৫ শতাংশ নেন কার্বোহাইড্রেট-শর্করা থেকে। ফলে
নানারকম পুষ্টি উপাদানের অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়, দেখা দিতে পারে
নানা রোগ। কিটো ডায়েট শুরুর প্রথম দুই-তিন সপ্তাহ ঝুঁকি কম হলেও দীর্ঘমেয়াদে মাথা ঘোরানো,
মাথাব্যথা, শরীর কাঁপা, বুক ধড়ফড় করা, বমি বমি ভাবসহ কাজে অমনোযোগী হওয়া, ভুলে যাওয়ার
প্রবণতা বৃদ্ধি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস, মেজাজ খিটখিটে বা হঠাৎ রেগে যাওয়া,
সারা দিন পানির পিপাসা পাওয়াসহ নানা লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। অনেক মেয়ের ক্ষেত্রে
ঋতুস্রাবের সমস্যা হয় এবং পরবর্তীতে রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমসহ বাচ্চা ধারণক্ষমতাও ঝুঁকির
মুখে পড়তে পারে বলে মত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।
ডা. জাহাঙ্গীর কবির অবশ্য তার স্বাস্থ্যবিষয়ক
পরামর্শের বিভিন্ন ভিডিওতে বলেছেন, ‘কিটো ডায়েট নিয়ে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে।
জেকে লাইফস্টাইলকে তারা এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছেন। আমরা কিন্তু কিটো নিয়ে সরাসরি কাজ
করি না। মূলত সুস্থ খাবার নিয়ে কাজ করি। বিশেষ করে ন্যাচারাল ও অর্গানিক খাবারসহ বিভিন্ন
সুস্থ খাবারের কথা বলছি। আমরা যে ভেজাল খাবারগুলো খাচ্ছি সেগুলোর কারণেই এত রোগ। যখন
সুস্থ খাবার খাবো তখন সেগুলো রোগ থেকে ভালো করবে। আমাদের এ পদ্ধতি ফলো করে কেউ যখন
ডায়াবেটিস কিংবা ব্লাড প্রেসার থেকে ভালো হচ্ছেন এবং লাইফস্টাইল পাল্টিয়ে অনেক ওষুধ
থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেন, তার মানে তিনি দিনদিন সুস্থতার দিকে ফিরে আসছেন।’
এদিকে জেকে লাইফস্টাইল ফলো করে অনেকে উপকৃত
হলেও বাজে অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন কেউ কেউ। চৈতালী রায় নামে এক তরুণী বলছিলেন, ‘এক
বছর ধরে আমি জেকে লাইফস্টাইল ফলো করছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। শরীর অনেক দুর্বল লাগে।
প্রচুর চুল পড়ছে। আবার পেট না কমলেও হাত-পা ও ঘাড় অনেক শুকিয়ে গিয়েছে।’
সালিম আরজু মনি নামে আরো একজনের মন্তব্য,
‘জেকে লাইফস্টাইল শুরুর তিন দিন থেকেই আমার পুরো শরীর অ্যালার্জিতে ভরে যায়। অনেক কষ্ট
হয় হাঁটতে, ব্যায়াম করতে, রোদে গেলে; বিশেষ করে নামাজ পড়তে। দুই হাত ফুলে গিয়েছিল।
এখন চুলকালে হালকা হালকা পানি বের হয়।’
এ সমস্যাগুলোকে অবশ্য জেকে লাইফস্টাইল সঠিকভাবে ফলো না করার কারণ হিসেবে দেখছেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। তার এক ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমরা ঘুমের কথা, কোয়ালিটি স্লিপের কথা বলছি, ব্যায়াম এবং অটোফেজির কথা বলছি। মূলত রোগীরা অটোফেজি করে ভালো হচ্ছে। তারা অটোফেজি ক্লিনিক্যাল ইউজ যদি সঠিকভাবে করতে পারে তাহলে কোনো সমস্যা দেখা দিবে না। এটা একটি কম্বিনেশন, প্যাকেজ। এটাকে একটা ট্যাগ দিয়ে যদি সমালোচনা করা হয়, তাহলে বুঝতে হবে ইনটেশনালি করা হচ্ছে। আমাদের পাঁচটি কম্পোনেন্ট থাকতে হবে— সুস্থ খাবার, কোয়ালিটিফুল ঘুম, ব্যায়াম, মানসিক শান্তি ও শারীরিক চর্চা। অটোফেজির সঙ্গে যদি শারীরিক চর্চা, ভালো ঘুম, মানসিক প্রশান্তি থাকে এবং সুস্থ খাবার খাওয়া হয় তবে অসুস্থ বা এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’
বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা যদিও বলছেন, ডায়েটের
পরিণতি না জেনেই শর্করা কমানোর কারণে অনেক ডায়াবেটিস রোগীই তাত্ক্ষণিক উপকার পেয়ে ওষুধ
বন্ধ করে দেন। এতে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজমে ব্যাঘাত ঘটার
কারণে রোগীকে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে আইসিইউ পর্যন্ত যেতে হয়। বর্তমানে কিটো ডায়েটের মাধ্যমে
ওজন কমানোর যে প্রচলন শুরু হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবিক ক্লিনিক্যাল প্রয়োগের কোনো সামঞ্জস্যতা
নেই। তাছাড়া এ ডায়েটের ফলে প্রাথমিকভাবে ওজন কমে গেলেও পরবর্তীতে তা ছেড়ে দিলে তার
থেকে আরো বেশি ওজন বাড়ে। তাই ডাক্তার ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া শুধু ফেসবুক আর ইউটিউবের
কয়েকটি ভিডিওর ওপর ভিত্তি করে কিটো ডায়েটকে অনুসরণ না করে শরীরে চাহিদা অনুযায়ী পুষ্টি
উপাদান সমৃদ্ধ সুঠাম খাদ্যাভ্যাস, পাশাপাশি হাঁটা এবং ব্যায়ামের অভ্যাস গড়া জরুরি।
এ বিষয়ে মার্কিন পুষ্টিবিদ লি ক্রসবি বলেন,
‘ওজন নিয়ন্ত্রণের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি হলো দৈনিক ক্যালরি গ্রহণের হিসাব রাখা।
খাদ্যাভ্যাসে বিভিন্ন ধরনের খাবার থাকতে হবে। ফল, সবজি, লতা, পরিপূর্ণ শস্য, মাংস— সবকিছুই শরীরের
জন্য জরুরি। তাই পরিমাণ মতো সবই খেতে হবে।’
ওবায়দুল্লাহ
সনি:
সাংবাদিক