দেশে খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ক্ষুদ্র কৃষক। কিন্তু তাদের জমির পরিমাণ ও পুঁজি কম। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং উৎপাদনশীলতাও কম। বাজার সংযোগেও তারা পিছিয়ে। ফলে তাদের আয়ও তুলনামূলক কম। এমন চিত্রই উঠে এসেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে। ‘সার্ভে অন ইনকাম অ্যান্ড প্রডাক্টিভিটি অব স্মল-স্কেল ফুড প্রডিউসার্স ২০২৫’ শিরোনামে প্রকাশিত বিবিএস জরিপ থেকে দেখা যায় জাতীয় পর্যায়ে শ্রম দিবসপ্রতি গড় উৎপাদনশীলতা ১ হাজার ৮৬৮ টাকা। কিন্তু ক্ষুদ্র কৃষকদের ক্ষেত্রে এ উৎপাদনশীলতা মাত্র ১ হাজার ৪৯৪ টাকা। পক্ষান্তরে বড় কৃষকদের শ্রম দিবসপ্রতি উৎপাদনশীলতা ২ হাজার ৩০১ টাকা। অর্থাৎ ক্ষুদ্র কৃষকদের শ্রমের অর্থনৈতিক মূল্য তুলনামূলকভাবে কম। ফলে তারা সমাজে আর্থিক বৈষম্যেরও শিকার। খাদ্য উৎপাদনকারী দেশের সব কৃষকের বার্ষিক গড় আয় যেখানে ৭৮ হাজার ২৮৬ টাকা, সেখানে ক্ষুদ্র কৃষকদের গড় আয় মাত্র ৩৩ হাজার ৬৩১ টাকা। বিপরীতে বড় কৃষকদের গড় আয় ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৬ টাকা। ক্ষুদ্র কৃষকদের গড় আয়ের প্রায় চার গুণ।
ষাটের দশকে সনাতন কৃষি ব্যবস্থায় ক্ষুদ্র কৃষকরা অধিক উৎপাদনশীল বলে ধারণা করা হতো। কৃষিজমিতে তারা প্রয়োজন অনুসারে পারিবারিক শ্রম ব্যবহার করে এবং তাতে ব্যবস্থাপনাও ভালো হয়। ফলে প্রতি ইউনিট জমিতে তারা বেশি ফসল পায়। নিট মুনাফাও বেশি হয়। এটা ছিল খামারের আয়ের সঙ্গে ফলনের বিপ্রতীপ সম্পর্ক। সে কারণে বলা হতো, বণ্টনধর্মী ভূমি সংস্কারের কথা। যাতে দেশের মোট উৎপাদন বেড়ে যায়। এখন সেই সম্পর্ক উল্টে গেছে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছেন অপেক্ষাকৃত বড় কৃষকরা। সেক্ষেত্রে ছোট কৃষকদের শ্রমভিত্তিক যুক্তি অনেকটা ফিকে হয়ে এসেছে। প্রতি ইউনিট জমিতে গড়ে বেশি ফসল উৎপাদন হচ্ছে এবং নিট লাভ বেশি হচ্ছে বড় কৃষকদের। বর্তমানে খামারের আয়তনের সঙ্গে ফলনের একপ্রকার ধনাত্মক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের কৃষিতে, আগে যা ছিল ঋণাত্মক সম্পর্ক। এমন পরিস্থিতিতে বণ্টনধর্মী ভূমি সংস্কারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর সম্ভাবনা অনেকটা ম্নান হয়ে গেছে।
পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশে খামারের আকার বড়। ছোট খামারগুলো জমি বিক্রি করে যোগ দিয়েছে কৃষি-বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে, শিল্প ও সেবামূলক খাতে। বড় খামারগুলো যন্ত্রনির্ভর। আধুনিক চাষাবাদ সেখানে উৎপাদন দক্ষতা নিশ্চিত করছে। বাংলাদেশে বর্তমানে খামারের আকার উল্টো পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বড় ও মাঝারি খামারগুলো ভেঙে ছোট হচ্ছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। মূলত উত্তরাধিকার আইনে জমি বিভাজন হচ্ছে। তাছাড়া কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিট আয় কমে যাওয়ার কারণে বড় কৃষকরা তাদের কিছু অংশ জমি বিক্রি করে পরিণত হচ্ছে ছোট কৃষকে। ফলে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে এক ধরনের প্রাকৃতিক ভূমি সংস্কার আমরা লক্ষ করছি। বর্তমানে প্রায় ৯২ শতাংশ কৃষকই ছোট। বড় ও মাঝারি কৃষকের সংখ্যা মাত্র ৮ শতাংশ। ছোট কৃষকদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে প্রায় ৬৯ শতাংশ জমি। ২০০৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে বড় খামারগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকা জমি কমেছে ৪৬ দশমিক ১৮ শতাংশ। মাঝারি খামারগুলো কমেছে ৩৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ জমি। পক্ষান্তরে ছোট খামারগুলো ৩২ দশমিক ২৪ শতাংশ জমি বেশি দখলে নিয়েছে। তাদের সংখ্যা বেড়েছে ৮৪ দশমিক ৩৯ থেকে ৯১ দশমিক ৭০ শতাংশে। অন্যদিকে মাঝারি খামারগুলোর সংখ্যা কমেছে ১৪ দশমিক ৭ থেকে ৭ দশমিক ৭০ শতাংশে এবং বড় খামারগুলোর সংখ্যা কমেছে ১ দশমিক ৫৪ থেকে দশমিক ৬০ শতাংশে। উৎপাদনের দক্ষতা এবং আধুনিক উপকরণ ব্যবহারের বিচারে খামারের আকৃতির এ স্খলন সম্ভাবনাময় কিছু নয়। তাতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ব্যাহত হতে পারে। খামারগুলোর আকার ছোট থেকে ছোট হওয়া কৃষিজমির চরম অভাবই প্রকাশ পায়। এ দেশে ভূমি দারিদ্র্য প্রকট। সময়ের ব্যবধানে তা বেড়ে যাচ্ছে। ১৯৭৪ সালে গড় খামারের আকার ছিল ২ দশমিক ৮ একর। ২০০৮ সালে তা ১ দশমিক ৪৭ একরে এবং ২০১৯ সালে ১ দশমিক ২৯ একরে কমে যায়। বর্তমানে জনপ্রতি জমির পরিমাণ গড়ে মাত্র দশমিক ১১ একর। একটি ছোট পরিবারের জন্য ন্যূনপক্ষে এর তিন গুণ পরিমাণ জমি থাকা উচিত।
কৃষিজমির মালিকানার ধরনের যেমন পরিবর্তন এসেছে তেমনি কৃষি খাতের গঠনেও সম্প্রতি ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। কৃষি খাতের উপখাতগুলো হচ্ছে শস্য, মৎস্য, পশুসম্পদ ও বনসম্পদ। অধিকালে উপখাতগুলোর ভার ও গুরুত্বের অনেক তারতম্য ঘটেছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২-৭৩ সালে কৃষি খাতের মোট উৎপাদনে ফসল কৃষি খাতের শরিকানা ছিল ৭৭ দশমিক ৬ শতাংশ। মৎস্য, পশুসম্পদ ও বনসম্পদের শরিকানা ছিল যথাক্রমে ৯ দশমিক ৯৩, ৭ দশমিক ৫৪ এবং ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এখন তা পরিবর্তন হয়ে ফসল খাত নেমে এসেছে ৪৬ দশমিক ৯২ শতাংশে। মৎস্যসম্পদ, পশুসম্পদ ও বনসম্পদের বেলায় তা বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২১ দশমিক ৬৬, ১৬ দশমিক ৩৮ ও ১৫ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে। শস্য-বহির্ভূত কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার বেশি। বাণিজ্যিকীকরণের গতি ভালো। চাষকৃত মৎস্য খামারগুলোতে আধুনিকায়ন, বাণিজ্যিক দুগ্ধ এবং পোলট্রি খামারের উন্নয়ন এবং কৃষি বনায়ন সম্প্রসারণের ফলে শস্য-বহির্ভূত কৃষি খাতের শরিকানা বেড়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে উচ্চ পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্যের প্রতি মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতি ইউনিট উৎপাদনে মুনাফার হার বেশি থাকায় উল্লিখিত উপখাতগুলোর উৎপাদন দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে ফসল খাতের প্রবৃদ্ধি অনেকটা স্থির হয়ে আছে ২-৩ শতাংশের আশপাশে।
বিবিএসের খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৎস্য চাষে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বেশি। প্রাণিসম্পদ খাতে কম। তবে মোট আয়ের ৮৪ দশমিক ৫ শতাংশ বা ২৮ হাজার ৪২১ টাকা আসে প্রাণিসম্পদ থেকে। এরপর মৎস্য ও বনসম্পদের অবস্থান। তবে মৎস্য উৎপাদনের জলাশয়ে ও বনসম্পদে ছোট কৃষকদের প্রবেশাধিকার সীমিত থাকায় তারা প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর বেশি নির্ভরশীল। বছরের প্রায় সবসময়ই প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন চলমান থাকে। খাতটি ছোট কৃষকদের জন্য লাগাতার আয়ের উৎস। যাদের হালের জমি নেই, কেবল ভিটে বাড়ি আছে তারাও দুই থেকে চারটা মুরগি ও হাঁস প্রতিপালন করে থাকেন। ছাগল ও ভেড়া পালেন। বর্গা নিয়ে লালন-পালন করেন গরু-বাছুর। এক্ষেত্রে পুঁজির সঞ্চার করা সম্ভব হলে ছোট কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বেড়ে যাবে।
ছোট কৃষকের আয় বৃদ্ধির অন্যতম উৎস হচ্ছে কৃষি-বহির্ভূত গ্রামীণ খাত। দিনের পর দিন এ খাত বিকশিত হচ্ছে। এ খাতের কর্মকাণ্ড স্বল্প পুঁজিনির্ভর। এখানে স্থানীয় সম্পদ ও গ্রামীণ কাঁচামালভিত্তিক উৎপাদন প্রক্রিয়া বিরাজমান। অত্যাধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার এখানে অপরিহার্য নয়। এ খাতের উদ্যোগ ছোট। ঝুঁকি কম। কৃষির সঙ্গে এ খাতের অগ্র ও পশ্চাৎ সংযোগ নিবিড়। এ খাতটি গ্রামের মানুষের চিড়া ও মুড়ি ভাজা, গুড় তৈরি, কাঠ ও বেতের আসবাব তৈরি, দাও কিংবা লাঙলের ফাল বানানো থেকে শুরু করে চামড়া প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত বিস্তৃত। গ্রামের পথে রিকশা, ভ্যান, টেম্পো ও অন্যান্য যানবাহনের এখন অবাধ গতি। এগুলো মেরামতের জন্যও গড়ে উঠেছে অনেক খুদে কারখানা। পথের ধারে আর রাস্তার মোড়ে স্থাপন করা হচ্ছে মুদির দোকান ও চা-পানের স্টল। গ্রামগুলোতে সেলাই মেশিন বসেছে, তৈরি হচ্ছে পোশাক। তাছাড়া তাঁতের কাজ, কামার, কুমার ও সুতারের কাজ ইত্যাদিও চলমান রয়েছে। বর্তমানে দেশে বেশকিছু এনজিও গ্রামীণ অকৃষি খাতে ঋণ দিচ্ছে। কিন্তু সুদের হার অস্বাভাবিকভাবে চড়া। এদের ঋণ মূলত গরিব মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। তাই গরিব উদ্যোক্তাদের জন্য অকৃষি খাতের ঋণের সুদে বিশেষ ছাড় দেয়ার কথা ভাবা উচিত।
দেশের ছোট ও প্রান্তিক কৃষকের জন্য উৎপাদন দক্ষতা নিশ্চিত করার উন্নত পথ হলো জমির মালিকানা অটুট রেখে ছোট খামারগুলোর ব্যবস্থাপনাগত আকার বৃদ্ধি করা। এক্ষেত্রে দেশের কৃষি সমবায়গুলো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। কিন্তু সদস্যদের মাঝে পারস্পরিক সমঝোতার অভাবে অনেক সংগঠন এখন কম ক্রিয়াশীল। বিকল্প হিসেবে কিছু নবীন উদ্যোক্তা পুঁজি বিনিয়োগ করছেন কৃষির বিভিন্ন উপখাতে। তারা জমি লিজ নিচ্ছেন। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন ও ভালো ফসল ফলাচ্ছেন। গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি এবং মৎস্য উপখাতেও তারা বিনিয়োগ করছেন এবং ব্যক্তিগত খামার গড়ে তুলছেন। এ উদ্যোগকে সহায়তা দেয়া ও উৎসাহিত করা দরকার। গ্রামের মজা পুকুরগুলো লিজ নিয়ে যারা মাছের চাষ করছেন তাদের ঋণ সহায়তা ও প্রণোদনা দেয়া উচিত।
কৃষি খাতের বিনিয়োগে এখন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে সংশ্লিষ্ট করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন ফসল ফলাচ্ছেন। বীজ উৎপাদন করছেন। অনেকে নিজস্ব গবেষণা ও উন্নয়নে খামার গড়ে তুলেছেন, জমি লিজ নিয়ে উৎপাদন কাজে নিয়োজিত হচ্ছেন। তারা শাকসবজি, ধান ও ভুট্টাসহ অনেক কিছুরই চাষাবাদ করছেন। ডেইরি এবং পোলট্রি উপখাতেও তারা বড় ধরনের বিনিয়োগ করছেন। গড়ে তুলছেন বৃহদাকার কৃষিপ্রতিষ্ঠান। এদের পণ্য বাজারে এলে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাবে, পণ্যের দাম কমবে, সেটাই প্রত্যাশা ছিল। তবে বর্তমানে তারা বাজারে প্রতিযোগিতা না করে মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে একে অন্যকে সহযোগিতা করছেন বলে মনে হয়। পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রেও একদিকে ঠকছেন সাধারণ কৃষক, অন্যদিকে ঠকছেন ভোক্তা। এদের ওপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভালো নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।
কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য মধ্যবর্তী বা লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে কারণে অসংখ্য ছোট খামারের উপযোগী করে প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রয়োজন। সত্তর ও আশির দশকে লাগসই কৃষিপ্রযুক্তি সম্পর্কে বেশ আলোচনা হতো। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে গঠন করা হয়েছিল একটি ‘অ্যাপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি সেল’। সময়ের বিবর্তনে সেলটি এখন আর নেই। তবে এ বিষয়ে গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ থামিয়ে রাখলে চলবে না। দেশের প্রায় প্রতিটি কৃষি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে কৃষি প্রকৌশল বিভাগ আছে। যথাযথ প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের কাজে তারা ভালো ভূমিকা নিতে পারে।
অসংখ্য ছোট ও প্রান্তিক কৃষকনির্ভর একটি দেশের কৃষি খাতে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বেশি দায়বোধ সরকারের। জমির ব্যবস্থাপনাগত একত্রীকরণ, উন্নত প্রযুক্তি ধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ, অনুদান, প্রশিক্ষণ এবং ভর্তুকি দিয়ে সরকার ছোট কৃষককে উৎপাদনে দক্ষ করে তুলতে পারে। তাছাড়া শস্য-বহির্ভূত কৃষি খাত ও কৃষি-বহির্ভূত গ্রামীণ খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে তাদের আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করা যেতে পারে। একই সঙ্গে কৃষক ও ভোক্তার মধ্যকার সরবরাহ শৃঙ্খল স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করে পণ্যের ন্যায্যমূল্য বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তাতে কৃষকের কর্মসংস্থান ও আয় বাড়বে। দারিদ্র্য লাঘব হবে। কৃষির উৎপাদনে স্বয়ম্ভর হবে দেশ।
ড. জাহাঙ্গীর আলম: কৃষি অর্থনীতিবিদ। সাবেক উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি) এবং সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)