বাংলাদেশে ফসল ওঠার মৌসুম প্রধানত দুটি—পৌষ ও বৈশাখ। এর মধ্যে নবান্নের মৌসুম হিসেবে পৌষই বেশি পরিচিত। রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ দাশ ও অন্যান্য অনেক বাঙালি সাহিত্যিকের লেখাতে পৌষ-বন্ধনা এতটাই মহমান্বিত হয়ে আছে যে মনে হয় যেন পৌষই বাঙালির লোকজ সমাজ ও সংস্কৃতির আত্মপরিচয়ের মূল উৎস। আর তা দেখে কখনো আবার এমনও মনে হয় যে পৌষই বোধ হয় হওয়া উচিত ছিল বাংলা নববর্ষের প্রথম মাস। তবে বৈশাখের পরিচিতিও নেহাত কম নয়। এ মাসে জমি থেকে তোলা ফসলের টাকায় জমিদারের বকেয়া খাজনা পরিশোধের রেওয়াজের সুবাদে এটি বাঙালির নববর্ষের মর্যাদা পেয়ে গেল। আর সাম্প্রতিক কালে বৈশাখের নাগরিক পরিচয়ে চোখে পড়ার মতো নতুন আঙ্গিকের নানা রং ও জৌলুশ যুক্ত হলেও বৈশাখের মূল পরিচয় এখনো ফসল ওঠার মৌসুমকে ঘিরেই টিকে আছে। বস্তুত ফসল ও সংস্কৃতির সমভিব্যহারে বৈশাখই বাঙালিকে নিজ পরিচয়ে সরব করে তোলে।
পৌষ ও বৈশাখ নিয়ে ওপরে যা বলা হলো তার মধ্যে কোনো অতিশয়োক্তি নেই। কিন্তু অসম্পূর্ণতা আছে এবং সেই সঙ্গে আছে দৃশ্যমানতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ব্যাপক মাত্রার কষ্ট, শোষণ ও করুণতার চিত্রও। আর এ প্রসঙ্গে খুব কাছ থেকে দেখা অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য সূত্রের তথ্য মিলিয়ে বলি, প্রতিবারের মতো এবারের বৈশাখেও দেশের বহু স্থানেই বহু কৃষকের নিজের খেতের ফসল মাঠ থেকে সরাসরি উঠে গেছে মহাজন বা আড়তদারের গোলায়। অথবা মাড়াইয়ের উদ্দেশ্যে সাময়িক সময়ের জন্য তা কৃষকের উঠানে উঠলেও পুরোটা নিজের গোলায় ওঠেনি কিছুতেই। এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উঠান থেকে চলে গেছে আগে থেকে নেয়া ঋণের বিপরীতে মহাজনের আড়তে কিংবা দাদনদারের হেফাজতে। তবে সে যাওয়ায়ও আপত্তি থাকত না, যদি না তা বিনিময় প্রথা বা বেচাকেনার ন্যূনতম যুক্তি মেনে ঘটত। কিন্তু বাস্তবে সে ধরনের যুক্তি ও ন্যায্যতার বিন্দুমাত্র ছিটেফোঁটাও এ ক্ষেত্রে নেই। বরং যা আছে তার সঙ্গে সামন্তযুগীয় শোষণ, বঞ্চনা ও নিগ্রহেরই কেবল মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তাহলে দেখা যাক, কী কী ঘটছে সেখানে।
দেশের কৃষিপ্রধান এলাকাগুলোর, বিশেষত ধান উৎপাদনকারী জেলাগুলোর অধিকাংশ ছোট কৃষকই এখন পর্যন্ত জমিদারি আমলের কিংবা সামন্ত যুগের শোষণমূলক কৃষি ব্যবস্থার আদলে নিজেদের কোনো রকমে বা অনেকটা কায়ক্লেশে টিকিয়ে রেখেছে। ছোট কৃষকরা সব মিলিয়ে যা উৎপাদন করে, তা দিয়ে সারা বছরের না হোক অন্তত ৯-১০ মাসের অন্নের সংস্থান হয়ে যেতে পারত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অন্নাভাবে থাকা ওই কৃষককে শেষ দুই-তিন মাসের খাবার জোগাড় করতে প্রায় শরণাপন্ন হতে হয় জোতদার মহাজন, ধান-চালের আড়তদার কারবারি কিংবা কোনো এনজিওর কাছে। মহাজন তখন ওই খাদ্য ঘাটতিতে থাকা কৃষককে ঋণ দিয়ে সাহায্য করেন বটে। কিন্তু সে ঋণ এতটাই উচ্চ সুদযুক্ত হয় যে ফসল তোলার পর নতুন ধান বা ফসলের একটি বড় অংশই চলে যায় মহাজনের পাওনা শোধ করতে গিয়ে। অন্যদিকে কৃষককে ঋণ দেন আড়তদারও। কিন্তু সেখানেও শর্ত থাকে, ফসল ওঠার পর ওই ধান বাধ্যতামূলকভাবে বিক্রি করতে হবে ঋণদাতা আড়তদারের কাছে; আড়তদারেরই ঠিক করা মূল্যে, যা বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম। অথচ এ ফসল এভাবে মহাজন বা আড়তদারের গোলায় বা গুদামে তুলে দিতে না হলে তার সারা বছরের খাবারের সংস্থানও হয়তো নিজের উৎপাদিত ফসল থেকেই হয়ে যেত।
খাদ্য ঘাটতিতে পড়া অভাবী কৃষককে ঋণ দেয়ার জন্য মহাজন বা আড়তদারের মতো আছে বিভিন্ন এনজিও। এসব সংস্থার ঋণের শর্তও সেই একই রকম উচ্চসুদ ও অন্যান্য নানা কঠিন শর্তের বেড়াজালে আবদ্ধ। সংস্থাগুলো ফসল উঠতে না উঠতেই ঋণগ্রহীতা কৃষককে ঋণ পরিশোধের জন্য চারদিক থেকে ঘিরে ধরে। অসহায় কৃষক তখন এনজিওর ঋণ পরিশোধের জন্য নিরুপায় হয়ে ওই নতুন ধান ঘরে তোলার আগেই আরেক দফা নিম্নমূল্যে বা অপমূল্যে মহাজন বা আড়তদারের কাছে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। অথচ এনজিওগুলো যদি ওই কৃষককে ঋণ পরিশোধের জন্য খানিকটা সময় দিত, তাহলে কৃষক হয়তো একই ধান বা ফসল কিছুদিন পরে বিক্রি করতে পারলে আরো অনেক ভালো মূল্য পেত এবং সেই একই ধান দিয়ে ঋণের একটি বড় অংশ বা পুরোটাই সে শর্তানুযায়ী পরিশোধও করে দিতে পারত। তদুপরি এতে তার ওপর মানসিক পীড়নও অনেকখানি কম হতো।
মোট কথা মহাজন, আড়তদার, এনজিও এসবের পীড়ন চক্রে পড়ে ক্ষুদ্র কৃষকের অবস্থা বর্তমানে ভূমিহীন কৃষকের পরেই সবচেয়ে করুণ। আর এ নিষ্ঠুর-করুণ অবস্থার মধ্য দিয়েই বছরের পর বছর ধরে চলছে তার নিরন্তর দিনাতিপাত। সরকার আসে, সরকার যায়। আর বারে বারে আসা অভিন্ন চরিত্রের এ সরকার কৃষকের স্বার্থের নাম করে দলীয় ও গোষ্ঠীগত নানা নামে নানা কর্মসূচি নেয় বটে। কিন্তু সেগুলোর প্রায় সবই লোপাট হয়ে যায় দলীয় ও দলের পরিচয় দিয়ে বারে বারে গজিয়ে ওঠা টাউট-বাটপার শ্রেণীর গুপ্ত সদস্যদের দ্বারা। ফলে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের নামে নেয়া ওইসব কর্মসূচি উল্লিখিত চতুর্চক্রের হাত থেকে ক্ষুদ্র কৃষককে কিছুতেই রক্ষা বা উদ্ধার করতে পারছে না। একেবারে হালে নেয়া নতুন কর্মসূচি তা পারবে, তেমনটিও মনে হচ্ছে না। কারণ এসবের নিয়ন্ত্রণ একটি যৌক্তিক ব্যবস্থার হাতে নেই, আছে দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে অথবা দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি কর্মচারীদের অদৃশ্য কারসাজির মধ্যে। ফলে সম্পদস্বল্পতার এ রাষ্ট্রে কৃষকের কল্যাণের নামে ব্যয়িত অর্থ বস্তুত গোষ্ঠীবিশেষের সম্পদের স্ফীতি হয়তো শুধু বাড়াবে, কৃষকের কল্যাণ নয়।
এ অবস্থায় তাহলে করণীয় কী? বাংলাদেশের প্রচলিত ধাঁচের শোষণমূলক ও লুণ্ঠনকারী শ্রেণীর দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত রাষ্ট্র ব্যবস্থার আওতায় এক্ষেত্রে করণীয় নির্ধারণ করাটা সত্যি কঠিন এবং এ জাতীয় সরকারগুলো তা করবে বলেও মনে হয় না। তার পরও ওই ভূমিহীন প্রান্তিক কৃষক ও ক্ষুদ্র কৃষকের নিত্যদিনের কঠিন সংগ্রামের পাশে দাঁড়ানো ও তার অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে নিম্নে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরা হলো।
এক. গত পাঁচ বছরের মধ্যে যেসব কৃষক কোনো মহাজন, আড়তদার বা এনজিওর কাছ থেকে ঋণ নিয়ে খাদ্য ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করে তাদের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) মাধ্যমে স্বল্প কিস্তিতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এ তালিকা প্রণয়নের কাজটি শতভাগ গত পাঁচ বছরের প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে হতে হবে এবং সেখানে দলীয় বা অন্য কোনো তদবির বা সুপারিশ বিবেচনায় নেয়া যাবে না। এ কাজে ইউনিয়ন পরিষদ বিকেবি বা রাকাবকে সহযোগিতা করতে পারবে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। আর কাজটি স্বচ্ছতা ও প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতে হচ্ছে কিনা, উপজেলা পরিষদ তা নিয়মিতভাবে তদারকি ও পর্যবেক্ষণ করবে। তবে এ তহবিল যেহেতু বিকেবি বা রাকাবের, সেহেতু এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্তকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং উপজেলা পরিষদের ভূমিকা কোনো অবস্থাতেই যেন তাদের ওপর খবরদারির পর্যায়ে চলে না যায়।
দুই. বর্তমানে যেহেতু উপজেলা পরিষদ বা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত চেয়ারম্যান নেই, সেহেতু এ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্বে না আসা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাই (ইউএনও) স্থানীয় মহাজন, আড়তদার ও এনজিও প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইউনিয়ন ভিত্তিতে বৈঠকে বসে তাদের ঋণদান ব্যবস্থাকে যৌক্তিক ও মানবিক করার বিষয়ে অনুরোধ জানাতে ও পরামর্শ দিতে পারেন। কাজটি আজ পর্যন্ত কোনো সরকার করেনি এবং বস্তুত একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা না থাকার কারণেই এটি হচ্ছে না। আর শক্তিশালী ও স্বনির্ভর স্থানীয় সরকার গড়ে না ওঠা পর্যন্ত সেটি পুরোপুরিভাবে হবেও না। তার পরও আংশিক প্রচেষ্টা হিসেবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।
তিন. বিভিন্ন মহাজন, আড়তদার ও এনজিওর কাছে যেসব কৃষকের বকেয়া ঋণ রয়েছে, সেসব কৃষকের একটি তালিকা তৈরি করে ওই ঋণের আংশিক বা পূর্ণ সুদ মওকুফের বিষয়ে একটি উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে উল্লিখিত সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এমন একটি ফয়সালায় উপনীত হওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে, যেখানে ঋণদাতা কোনো পক্ষকেই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না করেও কৃষককে কিছুটা উপশম দেয়া যায়। এ বিষয়ে ১৯৩৬ সালের কৃষি ঋণদাতা আইনের (বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল অ্যাক্ট ১৯৩৬) বিষয়টি বিশেষভাবে স্মরণ করা যেতে পারে, যার আওতায় সারা বাংলায় (বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) ১১ হাজার ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, তৎকালীন জমিদার ও মহাজন কর্তৃক কৃষকদের ওপর আরোপিত অস্বাভাবিক উচ্চসুদের হাত থেকে তাদের রক্ষা করা। কাজটি বর্তমানের মহাজন, আড়তদার ও এনজিওদের হাত থেকে কৃষককে বাঁচানোর জন্যও হতে পারে।
চার. বিকেবি ও রাকাবসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের আওতায় অন্তত পাঁচ বছর ধরে যেসব কৃষিঋণ বকেয়া আছে, সেসব ঋণের মধ্যে ৫০ হাজার টাকার নিম্নবর্তী মূল ঋণের সুদ অংশের ৫০ শতাংশ মওকুফ করে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নানা ঠুনকো ও কৃত্রিম কারণ বা অছিলা তৈরি করে প্রতি বছরই বড় ঋণগ্রহীতাদের কোটি কোটি টাকা মওকুফ করে দিচ্ছে, যার সঙ্গে রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু কৃষি ঋণের এ সামান্য সুদ মাফ করে দেয়া হলে বিপুলসংখ্যক কৃষকই শুধু উপকৃত হবেন না, কৃষি খাতে সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধিতেও তা ব্যাপকভাবে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়।
পাঁচ. কৃষি খাতের জন্য দেশে বর্তমানে যে ঋণ ব্যবস্থা বহাল আছে, তা এ খাতে উচ্চ উৎপাদনশীলতা অর্জনের মাধ্যমে বৈশ্বিক মান রক্ষা করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মোটেও যথেষ্ট নয়। অথচ গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কৃষিতে বিনিয়োগ এখন একটি লাভজনক ব্যবসায়িক বিকল্প, যা একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও অবদান রাখছে। এমতাবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব মহাজন, আড়তদার, এনজিও এমনকি বিকেবি-রাকাবের ঋণ ব্যবস্থার বিপরীতে এমন একটি কার্যকর গতিশীল ঋণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে, যা শুধু কৃষককে উল্লিখিত উচ্চসুদের সুদের নিগঢ় থেকেই মুক্ত করবে না—একটি উচ্চ প্রবৃদ্ধিসম্পন্ন অর্থনৈতিক খাতে রূপান্তর করতেও সক্ষম হবে। এক্ষেত্রে স্পষ্টীকরণের জন্য বলি, প্রস্তাবিত নতুন ঋণদান ব্যবস্থার অধীনে বিকেবি বা রাকাবকে বাদ দিতে বলা হচ্ছে না; বরং তাদের যুক্ত রেখেই এক্ষেত্রে একটি অধিকতর দক্ষ ও চৌকস কৃষি ঋণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হচ্ছে।
উল্লিখিত এ বিষয়গুলো নিয়ে আরো বিস্তারিত বলার ও আলোচনা করার সুযোগ ও প্রয়োজন দুই-ই রয়েছে এবং সেটি করার আশাও থাকল। তবে এ লেখায় আপাতত যে প্রস্তাবগুলো করা হলো সেগুলোও যদি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে সম্ভব দ্রুততম সময়ের মধ্যে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলেও আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা কৃষি খাতে লক্ষ্যযোগ্য অগ্রগতি অর্জনে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। তবে সেটিকে অবশ্যই দলীয় হস্তক্ষেপ, আমলাতন্ত্রের দাপ্তরিক হয়রানি ও স্থানীয় টাউট-বাটপার শ্রেণীর প্রভাবের ঊর্ধ্বে থেকে হতে হবে। আর সে ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে ছোট কৃষকরা মহাজন, আড়তদার ও এনজিওর সুদী শোষণের হাত থেকে বহুলাংশে মুক্তি পাবে বলে আশা করা যায়।
আবু তাহের খান: আর্থসামাজিক বিশ্লেষক