ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কর্মকর্তারা গতকাল কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে কার্যক্রম বন্ধ দেখতে পান। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সিকিউরিটিজ আইনানুসারে কারখানা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সে তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টক এক্সচেঞ্জকে এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানায়নি কোম্পানিটি।
সর্বশেষ ২০২১-২২ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এএফসি এগ্রো বায়োটেক। আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ১৯ পয়সায়।
২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এএফসি এগ্রো বায়োটেক। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকায়।
২০১৯-২০ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এএফসি এগ্রো বায়োটেকের ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায়।
২০১৮-১৯ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। সমাপ্ত ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। আলোচ্য হিসাব বছরে এএফসি এগ্রো বায়োটেকের ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯২ পয়সা।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এএফসি এগ্রো বায়োটেকের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৫ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৯৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৫২ লাখ ১৬ হাজার ২০০। এর ২৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৪ দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।