মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ঋণমান ‘এ প্লাস’

ব্যাংক খাতের তালিকাভুক্ত মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৭৩ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ‌মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩৫ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ‌মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৭৫ পয়সায়।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ‌মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৯১ পয়সায়।

২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ‌মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ২৩ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।

২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মার্কেন্টাইল ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১০৬ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৫৬৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১০ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩৫। এর ৩৩ দশমিক ৬২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৬৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও