শেখ কবীর হোসেন মারা যাওয়ায় এসব শেয়ার নমিনি হিসেবে তার স্ত্রী ও কোম্পানিটির সাধারণ শেয়ারহোল্ডার মাসুদা কবীরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৪ পয়সা। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে প্রায় ৪১ শতাংশ। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ২৮ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ২ পয়সা।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ২৪ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৬২ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯৩ পয়সায়।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ১৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৩ কোটি ৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৪১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৯২। এর মধ্যে ৩৯ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১২ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।