ভারত ২০৪৭ সালের মধ্যে ইস্পাত উৎপাদন সক্ষমতা ৬০ কোটি ৪০ লাখ টনে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে দেশটির ইস্পাত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২২ কোটি টন। উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা তৈরি করছে দেশটি। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
জনমত যাচাইয়ে সম্প্রতি ইস্পাত খাতের খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করে ভারতের ইস্পাত মন্ত্রণালয়। এতে শিল্পের সম্প্রসারণ, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং আকরিক লোহা ও কোকিং কয়লার সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রতি টন অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদনে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ ২ দশমিক ৫৪ থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৫৪ টনে নামিয়ে আনবে ভারত। এটি ২০৭০ সালের মধ্যে নিট জিরো বা শূন্য কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্য অর্জনের পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ইস্পাত মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতে আকরিক লোহার চাহিদা বেড়ে ৭৭ কোটি ২০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। এ চাহিদা মেটাতে বিদেশে খনি ও অন্যান্য সম্পদ অধিগ্রহণ এবং যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে উন্নত মানের আকরিকের সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এছাড়া কোকিং কয়লার চাহিদা ২৩ কোটি ৬০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে।
এজন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বাড়ানো এবং বিদেশে সম্পদ অধিগ্রহণের মাধ্যমে সরবরাহের উৎস বহুমুখী করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের।