সিপিডির ক্লাইমেট উইকে পুরস্কার পেল শক্তি ফাউন্ডেশন

নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্পের জন্য সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘ক্লাইমেট উইক-২০২৫’ এ ফার্স্ট রানারআপ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে শক্তি ফাউন্ডেশন। ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে ‘বিসিইপি’ প্রকল্পের জন্য এ সম্মাননা অর্জন করে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সম্মেলনের সমাপনী দিনে শক্তি ফাউন্ডেশনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন ও বাংলাদেশের রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন অ্যান্ডার্স বি কার্লসেন।

‘আকাঙ্ক্ষাকে কাজে রূপান্তর’ প্রতিপাদ্য নিয়ে গত ১৮ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে ক্লাইমেট উইক-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন নীতিনির্ধারক, গবেষক, তরুণ প্রজন্ম, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা।

সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে শক্তি ফাউন্ডেশনের প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন অ্যান্ডার্স বি কার্লসেন এবং বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট সৈয়দ আমির আহমেদসহ দেশী-বিদেশী নীতিনির্ধারক ও গবেষকরা।

আয়োজনে শক্তি ফাউন্ডেশন তাদের দুটি প্রকল্প উপস্থাপন করে— ‘লাউতলা বন’ ও ‘গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন মডেল’।

‘লাউতলা বন’ প্রকল্পটি শহুরে বনায়নের একটি মানবসৃষ্ট উদাহরণ। ঢাকার মোহাম্মদপুরের বসিলায় দখল ও দূষণে হারিয়ে যাওয়া লাউতলা খাল পুনরুদ্ধারের পর সেখানে জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন তৈরি করেছে শক্তি ফাউন্ডেশন। এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় ৭২ প্রজাতির ১০ হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছে, যা নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় শক্তি ফাউন্ডেশন একটি কমিউনিটি ভিত্তিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এ প্রকল্পে ২০টি পরিবার নিজেদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজেরা ব্যবহার করার পাশাপাশি প্রতিবেশীদের কাছেও বিক্রি করতে পারছে। এ মডেলের একটি নমুনা প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্টলে প্রদর্শন করে।

পুরো আয়োজনে শক্তি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্বকে টেকসই ও ন্যায্য জলবায়ু ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে।

—বিজ্ঞপ্তি

আরও