২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষ

তুরস্কে গমের বাম্পার ফলনের পূর্বাভাস

২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষে তুরস্কে গমের বাম্পার ফলনের পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)।

সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরে গমের ফলন আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতে এবার দেশটিতে গমের ফলন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। খবর ওয়ার্ল্ড-গ্রেইন ডটকম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কে চলতি বিপণন বর্ষে গম উৎপাদন আগের তুলনায় ২০ শতাংশ বাড়তে পারে। এতে মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ টনে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি বসন্তের আবহাওয়া অনুকূল থাকে, তবে উৎপাদনের পরিমাণ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২ কোটি ১০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে।

এ বছর তুরস্কে প্রায় ৭ লাখ ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছে, যা আট বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ভালো দাম ও লাভের আশায় অনেক কৃষক অন্যান্য ফসলের পরিবর্তে এবার গম চাষে আগ্রহী হয়েছেন। গমের এ বাম্পার ফলনের কারণে তুরস্কে গম আমদানি প্রায় ১০ শতাংশ কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদার জন্য আর আমদানির প্রয়োজন না হলেও আটা বা ময়দা রফতানি সচল রাখতে দেশটি সীমিত আকারে গম আমদানি চালিয়ে যাবে।

বর্তমানে তুরস্ক বিশ্বের শীর্ষ ময়দা রফতানিকারক দেশ। যদিও গত কয়েক মাসে রফতানি কিছুটা কমেছে, তবে ইরাক, সিরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ঘানা ও সোমালিয়ার বাজারে তুরস্কের আটার বিশাল চাহিদা রয়েছে। অন্যদিকে গমের চাষ বাড়ায় দেশটিতে এবার ভুট্টা উৎপাদন প্রায় ১১ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। গমের এ রেকর্ড ফলন তুরস্কের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও