পুঁজিবাজারে কমোডিটি ডেরিভেটিভস ব্রোকার হিসেবে ছয়টি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ ইস্যুর বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে চারটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের যাচাইকৃত ও অনিষ্পন্ন দাবির বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। গতকাল বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে কমিশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ১০৩৫তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াধীন নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অধীন ১২টি পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও বিধিবিধান পরিপালনের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সভায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (সিএসই) সুপারিশের ভিত্তিতে ছয়টি স্টক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কমোডিটি ডেরিভেটিভস ব্রোকার নিবন্ধন সনদ ইস্যুর বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ ইস্যুর সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।
নীতিগত অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সোহেল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বি রিচ লিমিটেড, পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের দাবি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। এ লক্ষ্যে বাংকো সিকিউরিটিজ লিমিটেড, তামহা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের যাচাইকৃত ও অনিষ্পন্ন দাবির বিপরীতে তহবিলের বিধান অনুযায়ী প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াধীন নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অধীন ১২টি পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পৃথক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিট সম্পদ পর্যাপ্ত থাকা এবং কয়েকটি মূল্যায়ন সূচকে সন্তোষজনক অবস্থানে থাকা চারটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠান চারটি হলো স্টক ব্রোকার প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ ব্রোকিং লিমিটেড ও এভিভা ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড ও প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।