হিলি স্থলবন্দর

টানা বৃষ্টিতে আমদানি পণ্য নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

টানা বৃষ্টিপাতের কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানীকৃত পণ্যের লোড-আনলোড কার্যক্রম খানিকটা বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে করে বন্দর দিয়ে আমদানীকৃত পণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা। বিশেষ করে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, খৈল, জিরাসহ খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

টানা বৃষ্টিপাতের কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানীকৃত পণ্যের লোড-আনলোড কার্যক্রম খানিকটা বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে করে বন্দর দিয়ে আমদানীকৃত পণ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা। বিশেষ করে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, খৈল, জিরাসহ খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য নিয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বন্দর দিয়ে দুই দেশের মাঝে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

গতকাল সকাল থেকেই বৈরী আবহাওয়ার কারণে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এছাড়া গত রোববারও একই ভাবে বৃষ্টিপাত হয়। এতে করে পণ্যের লোড-আনলোড করতে না পেরে আমদানি পণ্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও কাঁচামরিচ ব্যবসায়ী রাশেদ হোসেন বলেন, সকাল থেকেই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ কারণে বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও ট্রাক থেকে পণ্য খালাস ব্যাহত হচ্ছে। বন্দরে যে কয়টি ছাউনিযুক্ত শেড রয়েছে, সেগুলোয় সিরিয়াল অনুযায়ী কিছু পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ ট্রাক থেকে আনলোড করা সম্ভব হলেও অন্য পণ্যের লোড-আনলোড কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ট্রাকগুলোকে পণ্য নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে করে বৃষ্টিতে পণ্য ভিজে ও পচে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, আজ (গতকাল) সকাল থেকেই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ কারণে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে কাঁচামাল জাতীয় পণ্যের লোড-আনলোড কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে আমাদের ছাউনিযুক্ত ১৬টি শেড রয়েছে। বৃষ্টির কারণে সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের লোড-আনলোড কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

আরও