অভিভাবকদের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান এসআইএসবি

‘মানবিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে পথচলার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা করল স্টেপিং-স্টোন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বাংলাদেশ (এসআইএসবি)। করোনাকালে টিউশন ফি নিয়ে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলোর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা গত বছর এসআইএসবি প্রতিষ্ঠা করেন।

‘মানবিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে পথচলার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা করল স্টেপিং-স্টোন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বাংলাদেশ  (এসআইএসবি)। করোনাকালে টিউশন ফি নিয়ে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলোর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা গত বছর এসআইএসবি প্রতিষ্ঠা করেন।

এসআইএসবির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান একেএম আশরাফুল হক বলেন, ‘করোনার কারণে অনেক অভিভাবকেরই আয় কমে যায়। এমন সংকটের সময়ে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অনলাইন ক্লাস বিবেচনায় টিউশন ফি কমানোর অনুরোধ করা হয়। যদিও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো শতভাগ টিউশন ফি দাবি করছিল, যা অযৌক্তিক ও অমানবিক। স্কুল কর্তৃপক্ষগুলোর অমানবিক আচরণের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেন অভিভাবকরা। এমন পরিপ্রেক্ষিতে গঠন করা হয় বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম। আন্দোলনের পরও টিউশন ফি বিষয়ে নিজেদের অবস্থান বদলায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষগুলো। পরে আমরা অভিভাবকরা মিলে একটি মানবিক ইংরেজি মাধ্যম স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিই।’

গত বছরের ১৬ অক্টোবর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে একটি ভবন ভাড়া নিয়ে যাত্রা করে এসআইএসবি। করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। পাঠদানে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১১ জন শিক্ষক।

গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখেই প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নেয়ার কথা জানান এসআইএসবি অধ্যক্ষ ড. লে. কর্নেল মাহমুদ উল আলম (অব.)। তিনি বলেন, কাররিকুলাম ও সিলেবাস প্রণয়ন এবং পাঠদান পরিকল্পনা—সব ক্ষেত্রেই বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি স্বনামধন্য ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ব্যবহারিক শিক্ষার ওপরে জোর দেয়া হবে।

আরও