ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের ১ দশমিক ৬৯ শতাংশই ছিল কোম্পানিটির দখলে। সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির সমাপনী দর ৩২ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এতে কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।
চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) আইপিডিসি ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৯ পয়সায়। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ১ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৮ পয়সা (পুনর্মুল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৭৩ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৩৩ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
আইপিডিসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসিঙ্গক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইপিডিসি ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ৮০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৪২৯ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৬০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪২ কোটি ৯৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১। এর ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ৯৫, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৪ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।