আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে চিনি ও কফির দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অ্যারাবিকা কফির বাজারও।

গত মঙ্গলবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইইসি) এ দুই পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে। মূলত ২০২৬-২৭ মৌসুমে বিশ্বজুড়ে ঘাটতির আশঙ্কায় চিনির বাজারে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে দীর্ঘ দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নামার পর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে কফির দাম। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে মঙ্গলবার অপরিশোধিত চিনির দাম ২ শতাংশ বেড়ে পাউন্ডপ্রতি ১৫ ডলার শূন্য ২ সেন্টে উন্নীত হয়। একই সময় সাদা চিনির দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি টন দাঁড়িয়েছে ৪৪২ ডলার ৭০ সেন্টে। মূলত থাইল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) উৎপাদন কমে যাওয়ার পূর্বাভাসে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরির আশঙ্কায় দাম বেড়েছে পণ্যটির।

এদিকে কফির বাজারে অ্যারাবিকা কফির দাম ১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বেড়ে পাউন্ডপ্রতি ২ ডলার ৫৯ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগে পণ্যটির দাম কমে দেড় বছরের সর্বনিম্নে অর্থাৎ ২ ডলার ৫৫ সেন্টে নেমেছিল।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার ব্রাজিলে কফির ব্যাপক ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাবোব্যাংক এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ মৌসুমে ব্রাজিলে কফি উৎপাদন হতে পারে ৭ কোটি ৩৩ লাখ ব্যাগ।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে রোবাস্তা জাতের কফির দাম সামান্য বা শূন্য দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি টন রোবাস্তা কফি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৩০৭ ডলারে।

আন্তর্জাতিক কফি সংস্থার (আইসিও) মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চে বিশ্বব্যাপী কাঁচা কফি রফতানি আগের বছরের চেয়ে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ১৭ লাখ ব্যাগে (প্রতি ব্যাগ ৬০ কেজি) পৌঁছেছে।

আরও