বিশ্ববাজারে কফি ও কোকোর দরপতন

বিশ্ববাজারে তীব্র অস্থিরতার মধ্যে কফি ও কোকোর দামে বড় পতন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, সপ্তাহের শুরুতে ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির পর হঠাৎ করেই পণ্য দুটির দাম অনেকটা কমে গেছে। মূলত বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত শেয়ার কেনাবেচা ও বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাসের কারণে বাজারে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে সপ্তাহের শেষে বড় পতন হলেও পুরো সপ্তাহের হিসাবে পণ্য দুটির সামগ্রিক দাম ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

পণ্যবাজারের তথ্যানুযায়ী, গত শুক্রবার আইসিই এক্সচেঞ্জে অ্যারাবিকা কফির দাম ৮ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি পাউন্ড ৩১৯ ডলার ২৫ সেন্টে নেমেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার এ কফির দাম ১২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছিল। অন্যদিকে রোবাস্তা কফির দাম ৬ শতাংশ কমে প্রতি টন ৩ হাজার ৮০১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, এল নিনোর প্রভাবে শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশগুলোয় চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় সপ্তাহের শুরুতে দাম বেড়ে যায়। তবে ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জগুলো মার্জিন বা ডাউন পেমেন্টের নিয়ম কঠোর করায় বাজারে তারল্য সংকট দেখা দেয়, যা দামের অস্থিরতাকে বাড়িয়ে দেয়।

এদিকে বিশ্বের শীর্ষ রোবাস্তা কফি উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনামে বেচাকেনা বেশ স্থবির হয়ে পড়েছে। বর্তমানে দেশটির সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসের কৃষকেরা প্রতি কেজি কফি বিন ৩ ডলার ৪৯ থেকে ৩ ডলার ৫১ সেন্টে (৯১ হাজার ৮০০ থেকে ৯২ হাজার ৩০০ ডং) বিক্রি করছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে চড়া দাম বজায় থাকবে কিনা তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্রেতারা বড় ধরনের কেনাকাটা থেকে বিরত থাকছেন।

কফির পাশাপাশি বিশ্ববাজারে কোকোর দামও কমে গেছে। শুক্রবার লন্ডনের বাজারে কোকোর দাম ৯ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি টন ৪ হাজার ৩৪১ পাউন্ডে নেমেছে। নিউইয়র্কের বাজারেও এর দাম ৯ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি টন ৫ হাজার ৮৫৮ ডলার হয়েছে। এর বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত চিনির দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি পাউন্ড ১৪ পাউন্ড ৯ সেন্টে এবং সাদা চিনির দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি টন ৪৭১ ডলার ৩০ সেন্টে নেমেছে।

আরও