এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসির পক্ষ থেকে সংগঠনটির কাছে বেশকিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকে ডিবিএর কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, ডিবিএর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য কমিশনের বেশকিছু তথ্য প্রয়োজন। এক্ষেত্রে মার্জিন ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্ষদ অনুমোদিত রক্ষণশীল মার্জিন ঋণ নীতিমালা গ্রহণ, ঝুঁকিভিত্তিক মূলধন পর্যাপ্ততা বিধিমালা পরিপালন ও নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ বিক্রির মাধ্যমে সমন্বয়-সংক্রান্ত কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মার্জিন ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্ষদ অনুমোদিত রক্ষণশীল মার্জিন ঋণ নীতিমালা গ্রহণের ক্ষেত্রে কয়টি ব্রোকারেজ হাউজ এটি সম্পন্ন করেছে, কয়টি প্রতিষ্ঠান এটি সম্পন্ন করতে পারেনি, কয়টি প্রতিষ্ঠান ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করেছে এবং কয়টি প্রতিষ্ঠান এ কমিটি গঠন করেনি সে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে।
ঝুঁকিভিত্তিক মূলধন পর্যাপ্ততা বিধিমালা পরিপালনের ক্ষেত্রে কয়টি ব্রোকারেজ হাউজ এটি পরিপালন করেছে, কয়টি প্রতিষ্ঠান পরিপালন করতে পারেনি এবং কয়টি প্রতিষ্ঠান নেগেটিভ ইকুইটির বিপরীতে সঞ্চিতি সংরক্ষণের জন্য সময় বৃদ্ধির আবেদন করেনি সে তথ্য জানতে চেয়েছে বিএসইসি। তাছাড়া নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ বিক্রির মাধ্যমে সমন্বয় করার ক্ষেত্রে বিধিমালা অনুসারে নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজের সংখ্যা, নন-মার্জিনেবল সিকিউরিটিজের ক্রয়মূল্য ও বাজারমূল্যের তথ্য বিএসইসির কাছে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।