ওপেকের নতুন পূর্বাভাস

চলতি বছর আরো কমতে পারে জ্বালানি তেলের চাহিদা

ওপেকের মহাসচিব হাইথাম আল গাইস সম্প্রতি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বছরের বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে এ পূর্বাভাস সংশোধন করা হয়েছে

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস আবারো কমিয়েছে তেল রফতানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক। সংস্থাটি ২০২৬ সালে দৈনিক জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১৪ লাখ ব্যারেল থেকে কমিয়ে ৪ লাখ ব্যারেলে নামিয়েছে। তবে আগামী বছর স্থগিত চাহিদা আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্স।

ওপেকের মহাসচিব হাইথাম আল গাইস সম্প্রতি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘বছরের বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে এ পূর্বাভাস সংশোধন করা হয়েছে।’

ওপেক জানিয়েছে, চলতি বছর যে পরিমাণ চাহিদা তৈরি হওয়ার কথা ছিল তা পূরণ হয়নি, তার একটি অংশ ২০২৭ সালে আবার ফিরে আসবে। এতে আগামী বছর জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়তে পারে।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যে ওপেকের এ পূর্বাভাস এল। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও তেল সরবরাহে বিঘ্নের কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের চাহিদার পূর্বাভাস উত্তোলক, ব্যবসায়ী ও সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়বে নাকি কমবে, তার ওপর উত্তোলন, বিনিয়োগ ও সরবরাহ পরিকল্পনা নির্ভর করে। চাহিদার পূর্বাভাসে পরিবর্তন এলে বাজারে তেলের ঘাটতি বা উদ্বৃত্তের সম্ভাবনাও নতুন করে মূল্যায়ন করতে হয়।

চলতি বছরের পূর্বাভাস কমালেও আগামী বছর চাহিদা বাড়ার বিষয়ে আশাবাদী ওপেক। তবে এ পুনরুদ্ধার কতটা শক্তিশালী হবে, তা নির্ভর করবে বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর।

আরও