পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি যমুনা ব্যাংক পিএলসির চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সমন্বিত নিট মুনাফা বেড়েছে ২৪ শতাংশ। আলোচ্য তিন প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ৪১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৩৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। ব্যাংকটির এক মূল্য সংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৬৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৭৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৬ টাকা ২৫ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৬৭ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল যমুনা ব্যাংকের পর্ষদ। ২০২১ হিসাব বছরে ব্যাংকটি সাড়ে ১৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল যমুনা ব্যাংক। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পান শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৮ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। এছাড়া ২০১৭ হিসাব বছরে ২২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
ব্যাংকটির সর্বশেষ সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ডাবল এ ওয়ান ও স্বল্পমেয়াদে এসটি-ওয়ান। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৮২ কোটি ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৮ কোটি ২০ লাখ ৭ হাজার ১৬৫।
এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮ দশমিক ২৩, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ৪৬ দশমিক ৭১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।