আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯৬ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ২২%

সদ্য সমাপ্ত আগস্ট মাসে প্রবাসীরা ২ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন বা ২৯৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। গত বছরের তুলনায় রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২২ শতাংশেরও বেশি। যদিও এ নিয়ে টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের কম প্রবাসী আয় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রবাসী আয়ে উল্লম্ফন দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত টানা ছয় মাস রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। মাঝে একবার মার্চে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরেও পৌঁছায় প্রবাসী আয়। দেশের ইতিহাসে এক মাসে আসা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ছিল সেটিই। পরবর্তী দুই মাসে প্রবাসী আয় কমলেও তা ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। এপ্রিলে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার ও মে মাসে ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। এরপরই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আবারো কমতে থাকে।

টানা ছয় মাসের পর গত জুন মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের কম রেমিট্যান্স আসে দেশে। সে মাসে ২ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠায় প্রবাসীরা। এরপর জুলাই মাসে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। সবশেষ গত আগস্টেও এ সংখ্যা ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করতে পারেনি।

এদিকে রেমিট্যান্সের প্রবাহ কিছুটা ধীরগতির হয়ে এলেও গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে। বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রবাসীদের পাঠানো এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বৈধ পথে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। আর ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের শাসনাধীন সবশেষ অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪-এ প্রবাসী আয় এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ ডলার।

আরও