ব্যাংক খাতে নৈতিকতা চর্চায় পরিচালনা পর্ষদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ —গভর্নর

ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতার চর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা পুরো ব্যাংকের পারফরমেন্সের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতার চর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ভূমিকা পুরো ব্যাংকের পারফরমেন্সের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। গতকাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে ২১তম নুরুল মতিন স্মারক বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল মজিদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএম গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক এবং পরিচালক (গবেষণা, উন্নয়ন ও পরামর্শ) ড. আশরাফ আল মামুন। 

গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নেয়া এবং বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে তা আদর্শ হিসেবে বিবচনা করা যায়। ব্যাংক খাতে আন্তর্জাতিক মানের চর্চাগুলোর আলোকে বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ও কর্তব্য আলাদা করে দেয়া হয়েছে, যাতে ব্যাংক খাতে করপোরেট গভর্ন্যান্সের চর্চা করা সম্ভব হয়।’  

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল মজিদ বলেন, ‘ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতার চর্চা থাকলে ব্যাংকের সব অংশীজনের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়। বিশেষ করে গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষিত হয়। এমনকি ব্যাংকের মালিকদেরও স্বার্থ রক্ষা হয়। ব্যাংক খাতের নৈতিকতা চর্চার কিছু সহজাত শক্তি ও সুবিধা রয়েছে। ব্যাংক খাতের খারাপ ব্যবস্থাপনা এ খাতে অনৈতিকতার চর্চা বাড়িয়ে দিয়েছে। গত তিন দশকে ব্যাংক খাতের ব্যর্থতার অন্যতম একটি কারণ অনৈতিক চর্চা। এ কারণে ব্যাংক খাতের ব্যর্থতার অনেকগুলো ঘটনা ঘটেছে।’

আরও