গতকাল রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হয়। এ আয়োজনের মাধ্যমে দেশের তৈরি পোশাক খাতসংশ্লিষ্টরা বিদেশী সরবরাহকারীদের কাছ থেকে সুতা, ফ্যাব্রিক, অ্যাকসেসরিজ ও টেক্সটাইল কেমিক্যাল সরাসরি সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।
প্রদর্শনীর এ সংস্করণে ১৫০টিরও বেশি দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি পোশাক খাতের জন্য তাদের সর্বশেষ পণ্যের সংগ্রহ তুলে ধরছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) সভাপতি মো. শাহরিয়ার, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সহসভাপতি মাসুদ আলী খান এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ডাইজার্স অ্যান্ড সাপ্লায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএসএ) সভাপতি মেহেদী হাসান ভূঁইয়া।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান ভূঁইয়া বলেন, ‘পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ও মানোন্নয়নে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ফ্যাব্রিক সোর্সিং অত্যন্ত জরুরি। দেশীয় রফতানিকারকদের হাতের নাগালে আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের পৌঁছে দেয়াই আমাদের প্রদর্শনীর মূল লক্ষ্য। সেই ধারাবাহিকতায় ভারতের কেমেক্সসিলের একটি বিশেষ প্যাভিলিয়নসহ ‘বাংলাদেশ টেক্সকেম’ শোর সঙ্গে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সুতা, ফ্যাব্রিক্স অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ শোর ১৩তম সংস্করণ এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে।’
প্রদর্শনীতে ওভেন ও নিট পোশাকের রকমারি সুতা, ব্লেন্ডেড সুতা এবং বস্ত্র তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে রয়েছে উল ও স্যুট, প্রিন্টেড এবং স্পোর্টস ও হোম ফ্যাব্রিক। পাশাপাশি পোশাকের নানাবিধ অ্যাকসেসরিজ এবং এমব্রয়ডারি ও হট স্ট্যাম্পিংয়ের মতো আধুনিক প্রসেসিং প্রযুক্তিও প্রদর্শিত হবে। এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী আয়োজন করে আসছে। বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও সরবরাহকারীদের স্থানীয় উৎপাদকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিল্প সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে দেশে বিদেশী ব্যবসার নতুন দুয়ার উন্মোচনে তারা কাজ করছে। প্রদর্শনীটি প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ব্যবসায়িক দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।