সম্প্রতি কক্সবাজারের একটি হোটেলে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএফআইইউর প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন। এ সময় তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি যেমন বেড়েছে, তেমনি নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ই-কমার্স প্রতারণা, ট্রেড-বেজড মানি লন্ডারিং, সাইবার অপরাধ এবং জটিল আর্থিক জালিয়াতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’ এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকর করপোরেট গভর্ন্যান্স, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা, ঝুঁকিভিত্তিক কমপ্লায়েন্স এবং সন্দেহজনক লেনদেন দ্রুত শনাক্তকরণ ও রিপোর্টিং আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএফআইইউ প্রধান।
উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বিএফআইইউর উপপ্রধান মো. মফিজুর রহমান খান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন।
সম্মেলনে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বিএফআইইউ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের (সিআইসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনায় ঋণ ও বিনিয়োগ খাতে বেনামি প্রতিষ্ঠান, ভুয়া জামানত, ফান্ড ডাইভারশন এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপির মতো ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
এ সময় গ্রাহক যাচাই (কেওয়াইসি) প্রক্রিয়া আরো শক্তিশালী করা, লেনদেন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন এবং সন্দেহজনক লেনদেন দ্রুত রিপোর্টিং (এসটিআর/এসএআর) নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি ব্যাংক খাতে একটি শক্তিশালী কমপ্লায়েন্স সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।