প্লাস্টিক পণ্য

রফতানি বাড়লেও লক্ষ্যের চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ

দেশে উৎপাদিত প্লাস্টিক পণ্যের রফতানি বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে প্লাস্টিক পণ্য খাত।

দেশে উৎপাদিত প্লাস্টিক পণ্যের রফতানি বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে প্লাস্টিক পণ্য খাত। চলতি অর্থবছর ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের পণ্য রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। প্রথম নয় মাসে ২৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও সময়ে রফতানি হয়েছে ২২ কোটি ২২ লাখ ডলারের প্লাস্টিক পণ্য। অর্থাৎ প্রথম নয় মাসে ১১ দশমিক শূন্য শতাংশ রফতানি লক্ষ্যমাত্রা কম হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্যে এমনটি দেখা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পিভিসি ব্যাগ রফতানি হয়েছে কোটি ৪৬ লাখ ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময় যা ছিল কোটি ১৬ লাখ ডলার। অথচ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ নয় মাসে ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি। একই সময়ে কোটি ৯০ লাখ ডলারের টেবিলওয়্যার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও প্রকৃত রফতানি হয়েছে কোটি ৭২ লাখ ডলারের।

প্লাস্টিক বর্জ্য রফতানিতেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পণ্যটিতে কোটি ৯০ লাখ ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও প্রকৃত রফতানি হয়েছে কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক্ষেত্রে রফতানি কম হয়েছে ২৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া অন্যান্য প্লাস্টিক পণ্যের রফতানি ২২ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়েছে। নয় মাসে এসব পণ্য রফতানি করা হয়েছে ১৩ কোটি ২৪ লাখ ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময় যা ছিল ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি দামেই আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্য বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। মূলত কারণেই রফতানিতে প্রবৃদ্ধি এসেছে। প্রকৃতপক্ষে রফতানি প্রবৃদ্ধি আরো কম হবে।

বিষয়ে বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত রফতানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি সামিম আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও আমাদের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। ১১ মাসে তা ২০ শতাংশের ওপরে যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। বিদ্যুতের সমস্যা, কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়া, জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধিসহ অন্যান্য কারণে আমরা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারিনি। এসব সমস্যার সমাধান হলে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সহজ হবে

আরও