ব্যাংক খাতের তালিকাভুক্ত শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালক তাহেরা ফারুক তার কাছে থাকা ১০ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাবলিক মার্কেটের মাধ্যমে এসব শেয়ার বিক্রি করবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৭ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব যা ছিল একই। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩৮ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ব্যাংকটির ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১১২ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৪৫৪ কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১১ কোটি ২৯ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫১। এর ৪৩ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ৫৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩২ দশমিক ৪২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।