এর মধ্যে সুইজারল্যান্ড থেকে দুই কার্গো, যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো এবং সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। সচিবালয়ে গতকাল অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ পদ্ধতিতে তিন কার্গো এবং জিটুজি ভিত্তিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে সুইজারল্যান্ডের সকার ট্রেডিং এসএর কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুই কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম জাপান-কোরিয়া মার্কেট ফর্মুলা অনুসারে দরের সঙ্গে দশমিক ১২৫ ডলার যোগ করে নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ পদ্ধতিতে যুক্তরাজ্যের টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে দুই কার্গো এবং বিপি সিঙ্গাপুর লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪ টাকা (এআইটিসহ)।
এদিকে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নীলফামারী ও হবিগঞ্জ জেলায় ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এতে ব্যয় হবে ৪২৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪০ টাকা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘সহনশীল অবকাঠামোর মাধ্যমে অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাস (রিভার) (প্রথম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৭টি ও নীলফামারীতে ২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ঘাট ও ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ খাল উন্নয়ন এবং লাইনিং কাজের অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় কমিটি। এতে ব্যয় হবে ১০৮ কোটি ৯২ লাখ ১৬ হাজার ২৯ টাকা।
এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক উন্মুক্ত দরপত্রে ই-জিপি সিস্টেমে ৫০টি প্যাকেজের মাধ্যমে ৫০ কেজি ধারণক্ষমতার এক কোটি পিস নতুন কাট সাইজ বি-টুইল বস্তা কেনার বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ২৫ লাখ ২২ হাজার ৪০০ টাকা।