এফএওর প্রতিবেদন

জুনে খাদ্যশস্যের দাম কমেছে ৩.৫%

আন্তর্জাতিক বাজারে গত জুনে প্রধান প্রধান খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা কমেছে।

মূলত শস্যজাতীয় খাদ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমায় বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের বাজারে এ নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, মাংস ও উদ্ভিজ্জ তেলের দাম বাড়লেও শস্যের দাম কমায় সামগ্রিক মূল্যসূচক কমেছে। খবর ওয়ার্ল্ড-গ্রেইন ডটকম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুনে শস্যের মূল্যসূচক মে মাসের তুলনায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে, যা সার্বিক দাম কমার প্রধান কারণ। বিশ্ববাজারে গমের দাম কমেছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের দেশগুলোয় দ্রুত ফসল কাটা ও সরবরাহের ভালো সম্ভাবনার কারণে গমের দাম কমেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার উৎপাদন ঘাটতির উদ্বেগ অনেকাংশে কমে গেছে। অন্যদিকে রফতানিকারক দেশগুলোয় পর্যাপ্ত মজুদ ও জ্বালানি তেলের দাম কমায় আন্তর্জাতিক বাজারে ভুট্টার দাম এক ধাক্কায় ৬ শতাংশ কমে গেছে। এছাড়া বার্লি ও যবের দামও যথাক্রমে ৩ দশমিক ৪ ও ৮ শতাংশ কমেছে।

এফএওর খাদ্য মূল্যসূচক জুনে গড়ে ১৩০ দশমিক ৩ পয়েন্টে নেমেছে, যা মে মাসের সংশোধিত সূচকের চেয়ে দশমিক ৪ শতাংশ কম। সামগ্রিক সূচকটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি হলেও ২০২২ সালের মার্চের রেকর্ড সর্বোচ্চের চেয়ে এখনো ১৯ শতাংশ কম।

অন্য শস্যের দাম কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম বেড়েছে। এশিয়ায় ভারতের চালের ব্যাপক চাহিদা, উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়ায় জুনে এফএও চালের মূল্যসূচক ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে উদ্ভিজ্জ তেলের মূল্যসূচক মে মাসের তুলনায় জুনে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১৯২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। পাম অয়েল ও সরিষার তেলের দাম বাড়ায় এ সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় বৈরী আবহাওয়ায় সরিষার তেল উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পাশাপাশি জৈব জ্বালানি খাতে চাহিদা থাকায় পণ্যটির দাম বেড়েছে। তবে দক্ষিণ আমেরিকায় সরবরাহ বাড়ায় সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা কমেছে।

আরও