ঈদের আগে সর্বশেষ কর্মদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ মূল্য ছিল ৪৩ টাকা ৪০ পয়সা, যা আগের দিন ছিল ৪১ টাকা ২০ পয়সা। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটি শেয়ার দরবৃদ্ধির তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে আসে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৬৮ পয়সায়।
সর্বশেষ ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আইসিবির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ টাকা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৪৫ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আইসিবির ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৯৫ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে আড়াই শতাংশ নগদ ও আড়াই শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে আইসিবির ইপিএস হয়েছে ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ৩৪ পয়সায়।
আইসিবির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড।
১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইসিবির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৬৭ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৬৪৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৬ কোটি ৭২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬১। এর ৬০ দশমিক ২০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ২৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক ৫৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২ দশমিক ২৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।