পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির শেয়ারদর গত সপ্তাহে ১২ দশমিক ৯৫ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ৩৪৩ টাকা ৫০ পয়সায়, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৩৯৪ টাকা ৬০ পয়সা। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে কোম্পানিটি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সা, এর আগের বছরের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২০ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৬৬ টাকা ৮০ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৯৯ টাকা ৭৪ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩৫০ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ালটন হাই-টেকের ইপিএস হয়েছে ৪৪ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭৯ টাকা ৩০ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ালটন হাই-টেকের ইপিএস হয়েছে ২৫ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪৩ টাকা ৭৩ পয়সায়।
২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৬৬ কোটি ৫৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১১ হাজার ৩৭৬ কোটি ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার ২৯৪। এর ৭১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।