এনআরবিসি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে হিসাব ছাড়াল ২ লাখ ৭৫ হাজার

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. শাহীন হাওলাদার।

এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা সভা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে আয়োজিত এ সভায় ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি, ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. শাহীন হাওলাদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিওও মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম খান। সভায় সভাপতিত্ব করেন এজেন্ট ব্যাংকিং ও বিজনেস ইউনিটের প্রধান সিরাজুল আমিন আহমেদ।

সভায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, আঞ্চলিক প্রধান ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের এজেন্টরা অংশ নেন। সভায় জানানো হয়, এনআরবিসি ব্যাংক ২০১৪ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাংকটির প্রায় ৬২৩টি এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ রয়েছে। এসব এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত সুবিধাভোগীসহ সাধারণ গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।

ব্যাংকটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মোট হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪২৫-এ। এসব হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ ৬৮ কোটি টাকা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শাহীন হাওলাদার বলেন, ‘মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক, শিক্ষার্থী ও প্রচলিত ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য এ সেবা আরো সহজলভ্য করতে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’ তিনি এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন, নিয়মনীতি পরিপালন ও গ্রাহকের আস্থা ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন।

সভায় এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের সামগ্রিক অগ্রগতি, ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে এজেন্ট ব্যাংকিং ও স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

আরও