ঢাকা চেম্বারে গোলটেবিল বৈঠক

শিল্পখাতে প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ পেশাদারের ঘাটতি ৫০ শতাংশ

২০৩০ সালের মধ্যে ১৭ কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, তবে একই সময়ে প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ মানুষ তাদের বর্তমান চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে

শিল্পখাতে বর্তমানে ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা প্রক্রিয়া বর্হিগমন, মাল্টিমিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি ও রোবটিক্সের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দক্ষ পেশাদারের ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এ ঘাটতি পূরণের জন্য উচ্চ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে নতুন স্কিলগুলোর ওপর জোর দিতে হবে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে মোট শিক্ষার্থীর কমপক্ষে ৩০ শতাংশকে কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনতে সরকারকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে স্মার্ট মানবসম্পদ উন্নয়ন' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব তথ্য জানানো হয়। এ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ঢাকা চেম্বার।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী। এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ।

আলোচনা সভায় জানানো হয়, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের তথ্য মতে, আগামী পাঁচ বছরে বর্তমান চাকরির বাজার প্রায় এক-চতুর্থাংশ বদলে যাবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭ কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে, তবে একই সময়ে প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ মানুষ তাদের বর্তমান চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে একটি ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর চাকরির বাজারে সফল হতে হলে নিরবচ্ছিন্নভাবে নতুন দক্ষতা অর্জন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিপুল পরিবর্তনের জন্য আমাদের মানব সম্পদকে দ্রুত প্রস্তুত করতে হবে। এ প্রেক্ষাপটে, কেবল দক্ষতাই যথেষ্ট নয়। আমাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োজন। সেইসঙ্গে এ প্রযুক্তি উপযোগী দক্ষ মানব সম্পদ প্রয়োজন। যারা প্রযুক্তিকে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবে।

আরও