ডিটারজেন্ট ও গৃহস্থালি পণ্যের বিক্রিতে আয় বাড়ল পিঅ্যান্ডজির

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরে কোম্পানিটির নিট বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৩৩০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আয় করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল (পিঅ্যান্ডজি)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরে কোম্পানিটির নিট বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৩৩০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ৫ শতাংশের বেশি। ডিটারজেন্ট ও গৃহস্থালি পরিচর্যাসংশ্লিষ্ট পণ্যের চাহিদা বাড়ায় এ প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি। খবর সিএনবিসি।

বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ সময় পিঅ্যান্ডজির আয় ২ হাজার ২৮০ কোটি ডলার ও সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় ১ ডলার ৮৮ সেন্ট হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ২ ডলার। এছাড়া আয়ও বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছাড়িয়েছে।

পিঅ্যান্ডজি জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির নিট মুনাফা হয়েছে ৪৭৩ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৪৭৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ আয় বাড়লেও নিট মুনাফা সামান্য কমেছে। তবে পুনর্গঠন ব্যয় ও অন্যান্য বিশেষ খরচ বাদ দিলে শেয়ারপ্রতি আয় আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।

কোম্পানিটির পণ্য বিক্রির পরিমাণও গত প্রান্তিকে ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। ভোগ্যপণ্য খাতে দুর্বল চাহিদার মধ্যে এ প্রবৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্রেতা এখন হিসাব করে কেনাকাটা করছেন। শ্যাম্পু ও ডিটারজেন্টের মতো পণ্যও আগের চেয়ে বেশি সাশ্রয় করে ব্যবহার করছেন তারা।

পিঅ্যান্ডজির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা আন্দ্রে শুলটেন বলেন, ‘বাজারে ভোক্তাদের ব্যয়ের ধরনে পার্থক্য স্পষ্ট। উচ্চ আয়ের ক্রেতারা বেশি দামি পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন। অন্যদিকে কম আয়ের ক্রেতারা টাইড ও প্যাম্পার্সের মতো পরিচিত ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার ক্ষেত্রেও বাজেটের দিকে নজর দিচ্ছেন।

আগামী দিনগুলোয় ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন পিঅ্যান্ডজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শৈলেশ জেজুরিকার। তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও কোম্পানিটি নির্ধারিত আর্থিক লক্ষ্য অর্জনের পথে রয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও