যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে আরোপিত শুল্ক বহাল থাকবে। তবে শুল্ক সংক্রান্ত নিয়মকানুন মানার প্রক্রিয়ায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার মঙ্গলবার সিএনবিসি টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান।
জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর দাপ্তরিক কাজ সহজ করার জন্য অনেক সময় শুল্ক প্রয়োগের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হয়। অনেক ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান শুল্ক সংক্রান্ত নিয়ম মানার জন্য বাড়তি লোকবল নিয়োগ করতে বাধ্য হচ্ছে। সরকার চায় না ব্যবসায়ীরা দাপ্তরিক কাজে এত বেশি সময় ব্যয় করুক যে মূল ব্যবসা পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি এ শুল্ক নীতিকে অত্যন্ত সফল বলে উল্লেখ করেছেন। জেমিসন গ্রিয়ার জানান, এ পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ শিল্প উৎসাহিত হচ্ছে এবং তা সঠিক পথেই এগোচ্ছে। এ কারণে বর্তমান শুল্ক ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হবে।
জেমিসন গ্রিয়ারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এ শুল্ক আরোপের কারণে অন্যান্য দেশ শুল্ক বাধা ও বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে নিয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি বেড়েছে এবং মূল্যস্ফীতি কমেছে।
উল্লেখ্য, গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশী ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। মূলত চীনের অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা মোকাবেলা করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। পরবর্তীতে এসব ধাতু দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পণ্যের ওপরও শুল্ক বাড়ানো হয়। এর ফলে আমদানিকৃত পণ্যে অন্য দেশের কাঁচামালের পরিমাণ হিসাব করা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।