তিনি সিএসই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। তিনি পুঁজিবাজারে সিএসইর অবদান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাজার উন্নয়নে সিএসইর চলমান উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। তানভীর গনি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর জন্য সিএসইর প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে সিএসইর অগ্রগতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে আমদানিকারকদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য হেজিং দরকার হয়। এক্ষেত্রে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ তিনি অর্থমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বলেন, ‘পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও ডিরেগুলেশন করতে হবে। কথায় কথায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে যেতে হবে না। ডিরেগুলেশনের জন্য এ সরকার কাজ করছে।’ তিনি মিউচুয়াল ফান্ড সক্রিয়করণের ওপরও জোর দিয়ে বলেন, ‘ইকুইটি মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসির ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে।’ তিনি কমোডিটি ডেরিভেটিভস সেগমেন্ট সম্পর্কে সিএসইর বিভিন্ন অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম, ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ ইত্যাদির প্রশংসা করেন। তানভীর গনি বলেন, ‘কমোডিটি এক্সচেঞ্জে ডেরিভেটিভস ট্রেডিংয়ের জন্য হাই ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি দরকার। তবে আজকের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে নিউ অ্যাসেট ক্লাস চালুর জন্য সিএসই প্রস্তুত।’ তিনি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ দ্রুত চালুর আশ্বাস দেন।
সভার শুরুতে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বাজারচিত্রসহ এক্সচেঞ্জের সার্বিক পরিচিতি তুলে ধরেন। কমোডিটি এক্সচেঞ্জের জন্য কারিগরি প্রস্তুতির বিষয়টি উপস্থাপন করেন মহাব্যবস্থাপক ও আইটি বিভাগের প্রধান মেজবাহ উদ্দিন। সিএসইর সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ফয়সাল হুদা কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জের বিষয়টি বিশদরূপে উপস্থাপন করেন। এ সময় সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান, পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, নাজনীন সুলতানা ও শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। —বিজ্ঞপ্তি