সাতক্ষীরার বাজারে সরবরাহ বেড়েছে সুগন্ধি চালের। ফলে এক মাসের ব্যবধানে প্রকারভেদে কেজিতে দাম কমেছে ১৫-২০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে উৎপাদিত সুগন্ধি চাল ৫০ শতাংশ রফতানি কমিয়ে দেয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে দাম কমে এসেছে।
সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের সুগন্ধি চাল ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম জানান, গতকাল কালোজিরা সুগন্ধি চাল প্রতি কেজি খুচরা বিক্রি হয় ২০০ টাকা, চিনিকানি ১৬৫ ও কাটারিভোগ ১০৫ টাকায়। এক মাস আগেও কালোজিরা ২২০ টাকা, চিনিকানি ১৮০ ও কাটারিভোগ ১২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়। দাম কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানান, সরকার দেশে উৎপাদিত সুগন্ধি চাল রফতানি ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। তাই দাম কিছুটা কমে এসেছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ সুগন্ধি চালের দাম কমার বিষয়টি নিশ্চিত করে বণিক বার্তাকে জানান, সরকার দেশে উৎপাদিত সব ধরনের সুগন্ধি চাল রফতানি ৫০ শতাংশ কমানোর কারণে মূলত এ দরপতন হয়েছে। মোট সুগন্ধি চালের প্রায় ৭০ শতাংশই উৎপাদন হয় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হলে দাম আরো কমে যেত।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সাতক্ষীরা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মামুনুর রশিদ জানান, উপকূলীয় সাতক্ষীরা জেলার মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী বোরো ১০৪ জাতের সুগন্ধি চাল উৎপাদন করে স্থানীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব। জাতটি প্রতি বিঘায় ২০ মণ পর্যন্ত উৎপাদন সম্ভব, যা কৃষক পর্যায়ে চাষ করে যেমন লাভবান হতে পারবে, তেমনি জেলার মোট চাহিদার একটি বড় জোগান আসবে।