ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) ‘ইনোভেশন টু ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রতিযোগিতার ইনকিউবেশন পর্বে জায়গা পেয়েছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ২৪টি প্রকল্প। আগামী আট মাস বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজের সুযোগ নিয়ে প্রকল্পগুলোকে বাজারে আনার উপযোগী করে গড়ে তুলবেন নির্বাচিত দলের সদস্যরা।
গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অব ইনোভেশন অ্যান্ড ইনকিউবেশন (আইইউবি৩৬০) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় পর্বের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় নির্বাচিত ২৪টি দলের পাশাপাশি তাদের জন্য নির্ধারিত শিল্প খাতের ১২ জন পরামর্শককে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যেক পরামর্শক দুটি করে দলের সঙ্গে কাজ করবেন।
আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে আইইউবি৩৬০। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. সাদিয়া বিনতে আলম কর্মসূচিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আট মাসের ইনকিউবেশন কার্যক্রম শেষে আগামী বছর প্রতিযোগিতার ‘শার্ক ট্যাংক’ পর্বে অংশ নেবে নির্বাচিত দলগুলো। সেখানে মোট ১০ লাখ টাকার পুরস্কারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তারা।
গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে ৫৮টি দলে মোট ১২০ জন অংশ নেন। সেখান থেকে শিক্ষক ও শিল্প খাতের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত নয় সদস্যের একটি কমিটি ২৪টি দল নির্বাচন করে। নির্বাচিত দলগুলোর মধ্যে সাতটির নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বাকি ১৭টির নেতৃত্ব দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছয়টি স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তায় প্রযুক্তি উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছে। জলবায়ু, পরিবেশ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি-সংক্রান্ত প্রকল্প রয়েছে ছয়টি। এছাড়া কৃষি ও জীবিকার উন্নয়ন নিয়ে তিনটি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ডিজিটাল অর্থনীতি নিয়ে চারটি এবং প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও শিক্ষা খাতে পাঁচটি প্রকল্প নির্বাচিত হয়েছে।