বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির শেয়ারদর গত সোমবার লেনদেন শেষে ১১ দশমিক ৮১ শতাংশ কমেছে। দিন শেষে শেয়ারটির দর দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ২০ পয়সায়, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১২ টাকা ৭০ পয়সা। এতে শেয়ারটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর কমার তালিকায় শীর্ষে উঠে আসে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। টানা দুই বছর লভ্যাংশ ঘোষণা করতে ব্যর্থ হওয়ায় কোম্পানিটির শেয়ার বিদ্যমান ‘বি’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর হয়েছে। ফলে ২৫ অক্টোবর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্জিন ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে না।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৬৮ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৮ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৮ পয়সা। ৩০ জুন শেষে ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৭ পয়সায়।
২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর ডিএসইতে আরএন স্পিনিং মিলসের নাম পরিবর্তন হয়ে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ করা হয়। ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরএন স্পিনিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৭৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩০৩ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩০ কোটি ৩৪ লাখ ৫২ হাজার ১০৯। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩১ দশমিক ৯৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ৩১ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।