পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির শেয়ারের ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়েছে। টানা দুই বছর লভ্যাংশ ঘোষণা করতে ব্যর্থ হওয়ায় কোম্পানিটিকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শর্ত অনুসারে টানা দুই বছর লভ্যাংশ ঘোষণা করতে ব্যর্থ হওয়ায় কোম্পানিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে স্টক ব্রোকার এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে কোম্পানিটির জন্য মার্জিন লোন প্রদানে বিরত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৬৮ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৮ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৭ পয়সায়।
২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ডিএসইতে আরএন স্পিনিং মিলসের নাম পরিবর্তন হয়ে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ করা হয়। ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরএন স্পিনিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৭৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩০৩ কোটি ৪৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩০ কোটি ৩৪ লাখ ৫২ হাজার ১০৯। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩১ দশমিক ৯৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ৩১ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।