ফিলিপাইনে চাল উৎপাদন কিছুটা কমার শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষতি ও ফসল কাটার পর ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জের কারণে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ফিলিপাইনের চাল উৎপাদন কিছুটা কমতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষতি ও ফসল কাটার পর ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জের কারণে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ফিলিপাইনের চাল উৎপাদন কিছুটা কমতে পারে। তবে দেশটির সরকারি ভর্তুকি ও সহায়তা কর্মসূচি দেশটিতে প্রধান খাদ্যশস্য চালের আবাদকে এখনো সহায়তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস)। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডট কম।

এফএএসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ফিলিপাইনে ধান উৎপাদন (রাফ রাইস) হতে পারে ১ কোটি ৯৬ লাখ টন। এটি আগের পূর্বাভাসের তুলনায় দশমিক ৪ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫ বিপণন বছরের তুলনায় দশমিক ২ শতাংশ কম। মূলত ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে উৎপাদন কমে যাওয়ায় সামগ্রিক উৎপাদন হ্রাসের এ আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সারের মূল্য তুলনামূলক বেশি থাকলেও কৃষকেরা ধান আবাদ অব্যাহত রেখেছেন। এর পেছনে রয়েছে সরকারি ভর্তুকির পরিধি বাড়ানো, নানামুখী সহায়তা কর্মসূচি, ফার্মগেট মূল্য স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ এবং অতিরিক্ত বিপণন সুবিধা।

ফিলিপাইনে চালের ব্যবহারও ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় রয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও খুচরা বাজারে স্থিতিশীল দামের কারণে চাহিদা বেড়েছে। তবে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাল আমদানি নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোয় আমদানি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এফএএসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ফিলিপাইনে চালের মোট ব্যবহার দাঁড়াতে পারে ১ কোটি ৭৬ লাখ টন। একই সময় খাদ্যশস্যটির আমদানি কমে ৫৪ লাখ টন থেকে নেমে আসতে পারে ৪৪ লাখ টনে।

ব্যবহার বৃদ্ধি ও আমদানি কমে যাওয়ায় ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষের শেষে ফিলিপাইনে চালের মজুদ কমে ২৯ লাখ টনে নামতে পারে, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে যা ছিল ৩৮ লাখ টন।

আরও