সৌদি আরবে রেলপথ ভ্রমণ ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ২০২৩ সালে ট্রেনে যাত্রী বৃদ্ধির হার ৫০ শতাংশেরও বেশি। দেশটিতে ওই বছর ১ কোটি ১০ লাখেরও বেশি মানুষ রেলসেবা গ্রহণ করেছে। খবর আরব নিউজ।
শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, পণ্য পরিবহনেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। দেশটির শিল্প খাতে রেলপথ অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠছে।
২০২৩ সালে রেলপথে পণ্য পরিবহনের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেড়ে ২০ কোটি ৫০ লাখ টনের বেশি হয়েছে। এ হার অব্যাহত থাকলে প্রতি বছর সৌদি আরবের সড়ক থেকে ট্রাকের ২০ লাখের বেশি ট্রিপ কমবে।
সম্প্রতি দুটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে সৌদি অথরিটি ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিজ অ্যান্ড টেকনোলজি জোন (এমওডিওএন) ও সৌদি আরব রেলওয়ে (এসএআর)। শিল্প শহরে পরিবহন ও লজিস্টিক সাহায্য এ চুক্তির লক্ষ্য। ওই সময় রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বৃদ্ধির পরিসংখ্যান জানানো হয়।
দাম্মামের দ্বিতীয় শিল্প নগরীর এ অনুষ্ঠানে পরিবহন মন্ত্রী ও এসএআরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সালেহ আল-জাসের জানান, বিভিন্ন সূচকে রেলপথ উন্নয়নের সুফল দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘উত্তর অঞ্চলের বিভিন্ন প্রকল্প, দাম্মাম, জুবাইল ও রাস আল-খাইর শহরগুলোকে পূর্ব অঞ্চলের বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত করছে রেলপথ। এর মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে শিল্প ও খনি খাত। চলমান অন্যান্য প্রকল্পও এর সুবিধা পাবে।’
এসএআরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সালেহ আল-জাসেরের মতে, শিল্প খাতে উন্নয়নের সঙ্গে পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা জড়িত। এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও একীভূতকরণের গুরুত্ব রয়েছে, যা সৌদি শিল্পের বিকাশে সহায়তা করে।
একই ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন দেশটির শিল্প ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী বন্দর আল খোরায়েফ। ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’-এর আওতায় শিল্প ও খনি শিল্পের বিকাশে পরিবহন ও লজিস্টিক খাতের গুরুত্বের ওপর জোর দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘বাণিজ্য ও রফতানি খাতে নতুন পথ উন্মোচনে অবদান রাখবে রেল। কারণ খরচ, পণ্যের দাম ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার দিক থেকে এটি সেরা যোগাযোগমাধ্যম।’