রেকর্ড ডেট শেষে আগামীকাল পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন চালু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৪ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬১ টাকা ৭৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪৬ টাকা ১৪ পয়সায়।
সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫০০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ম্যারিকোর ইপিএস হয়েছে ২০৬ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮৭ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯২ টাকা ২ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ হাজার ৮৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৫০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ ও ১ হাজার ৮৯০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ম্যারিকোর ইপিএস হয়েছে ১৮৭ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪৬ টাকা ২৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩৯ টাকা ১৩ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ১৪৬ টাকা ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২২ টাকা ৯৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬০ টাকা ৬৪ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৭৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ১২২ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১২ টাকা ৮২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকা ৮৫ পয়সায়।