আইএফআইসি ব্যাংক থেকে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেখিয়ে ৭ হাজার ১২৯ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে ব্যাংকটির কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৯ মার্চ) দুই ডিএমডিসহ চার কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বৃহস্পতিবার আরো পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বুধবার যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন- আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি ইকবাল পারভেজ চৌধুরী, শাহ মো. মইন উদ্দিন, করপোরেট শাখার ম্যানেজার মো. ওয়াসীম আলম ও প্রিন্সিপাল শাখার রিলেশনশিপ ম্যানেজার তাসলিমা আক্তার। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১১টা থেকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. ইয়াছির আরাফাতের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) আরো পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তারা হলেন, প্রিন্সিপাল শাখার রিলেশনশীপ ম্যানেজার সালমান মাহবুব ও সরদার মো. মোমিনুল ইসলাম, চিফ ম্যানেজার জুলফিকার আলী চোকদার ও নাজমুল হক এবং প্রধান কার্যালয়ের ক্রেডিট ম্যানেজার মাসুদা বেগম। এছাড়া ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের দশজনকে ২৩ ও ২৪ মার্চ জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, আইএফআইসি গুলশান শাখার গ্রাহক নর্থস্টোন ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, সার্ভ কনস্ট্রাকশন, ফারইস্ট বিজনেস লিমিটেড, কসমস কমোডিটিস লিমিটেড, অ্যালট্রন ট্রেডিং লিমিটেড; আইএফআইসি পিএলসির গ্রাহক আলফা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড; ফেডারেশন শাখার গ্রাহক ব্রাইটস্টার বিজনেস লিমিটেড ও সানস্টার বিজনেস লিমিটেড; প্রিন্সিপাল শাখার গ্রাহক এভারেস্ট এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, গ্লোয়িং কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, ভিস্তা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, স্কাইমার্ক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এক্সিস বিজনেস লিমিটেড ও ব্লু মুন ট্রেডিং লিমিটেড অনিয়ম করে ঋণ নিয়েছে।
গত ৪ ও ১২ মার্চ তাদেরকে তলব করে চিঠি দিয়েছিল দুদক। চিঠিতে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্টের কপি এবং বক্তব্য সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ হাজির হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। পরের দিন ৫ মার্চ এসব ঋণ সংশ্লিষ্ট তথ্য চেয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের কাছে আরেকটি চিঠি দেয়া হয়।