এভিন্স টেক্সটাইলসের ২৫ কোটি টাকার লেনদেন

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২২ পয়সা।

বস্ত্র খাতের কোম্পানি এভিন্স টেক্সটাইলস লিমিটেডের গতকাল ২৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকায়। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দৈনিক শেয়ার লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে কোম্পানিটি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭৭ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের আড়াই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এভিন্স টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮৩ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এভিন্স টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ১ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের আড়াই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।

আলোচ্য হিসাব বছরে এভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৬৬ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের আড়াই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান ১২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭৭ পয়সায়।

২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এভিন্স টেক্সটাইল অনুমোদিত মূলধন ৩৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৩৭ লাখ ৪৪ হাজার। এর ৩২ দশমিক ৯৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২০ দশমিক ৭৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক ২৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও