দেশের বিশেষায়িত অঞ্চলে (বেজা, বেপজা ও হাইটেক পার্ক) অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য রফতানি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ। আজ বুধবার মহাব্যবস্থাপক কাজী রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবস্থিত টাইপ-সি (শতভাগ দেশিয় মালিকানাধীন) শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য সিনথেটিক ও ফেব্রিকস এর মিশ্রণে তৈরি পাদুকা ও ব্যাগ এবং প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য; বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কে অবস্থিত টাইপ-সি শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার, আইটিইএস ও হার্ডওয়্যার; বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে অবস্থিত টাইপ-সি শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য বস্ত্রখাতে নতুন পণ্য/নতুন বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা; এবং ইইউ, আমেরিকা ও কানাডায় রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবস্থিত টাইপ-সি প্রতিষ্ঠানের জন্য তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া বিশেষায়িত অঞ্চলের টাইপ-এ (শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন) ও টাইপ-বি (দেশি-বিদেশি যৌথ মালিকানাধীন) প্রতিষ্ঠানের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রফতানির বিপরীতে ৪% হারে রফতানি প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে। এসবের বাইরে বিশেষায়িত অঞ্চলে সকল ক্যাটাগরিভুক্ত প্রতিষ্ঠান দেশের বাইরে অন্যান্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে রফতানি প্রণোদনা পাবে।
নিয়ম বহির্ভূতভাবে রফতানি প্রণোদনা পরিশোধের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেয়া হবে। বিধিবহির্ভূতভাবে রফতানি প্রণোদনা পরিশোধ করা হলে পরিশোধকৃত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে রক্ষিত পরিশোধকারী ব্যাংকের হিসাব বিকলনপূর্বক আদায় করা হবে। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনিয়মের সঙ্গে রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের কোন কর্মকর্তা যুক্ত থাকলে অথবা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনিয়মে সহযোগিতা করলে রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন/কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া যাবে।