যুক্তরাজ্যের খাদ্য ও পানীয় পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি চলতি বছরের প্রথমার্ধে ২ হাজার ১০০ কোটি পাউন্ড ছাড়িয়েছে। ২০০০ সালের পর দেশটির খাদ্য ও পানীয় বাণিজ্যে এটিই সবচেয়ে বড় ঘাটতি। রফতানি কমে যাওয়ার পাশাপাশি আমদানি বেড়ে যাওয়ায় ঘাটতি এতটা বেড়ে গেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
দেশটির ফুড অ্যান্ড ড্রিংক ফেডারেশনের (এফডিএফ) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের খাদ্য ও পানীয় পণ্যের রফতানি কমেছে ১১ দশমিক ৭ শতাংশ। এ সময়ে রফতানির পরিমাণ নেমে এসেছে প্রায় ৪০০ কোটি কেজিতে। করোনা মহামারী এবং ২০০১ সালে ফুট অ্যান্ড মাউথ রোগের প্রাদুর্ভাবের পর এটি রফতানির সর্বনিম্ন রেকর্ড।
ইইউর বাইরের দেশগুলোয় রফতানি মূল্য কমেছে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবও এক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) যুক্তরাজ্যের খাদ্য ও পানীয় রফতানি প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ শতাংশ আমদানি শুল্কের কারণে দেশটিতে যুক্তরাজ্যের এসব পণ্যের বিক্রি কমেছে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
এদিকে যুক্তরাজ্যে খাদ্য ও পানীয় পণ্যের আমদানি বেড়েছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে আমদানি হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯১০ কোটি কেজি। এটি এ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি।
২০২৩ সালের তুলনায় ইইউর বাইরের দেশগুলো থেকে খাদ্য আমদানি এক-পঞ্চমাংশের বেশি বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি মূল্য এক বছরে বেড়েছে ২৫ শতাংশ।