পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫৭ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটিকে ‘গোয়িং কনসার্ন’ শঙ্কার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারকে আবারো মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ হিসেবে পুনর্বহাল করা হয়েছে।
কোম্পানিটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৩ পয়সায়, আগের অর্থবছরে যা ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) প্রায় ৬১ শতাংশ বেড়ে ১৮ টাকা ৯৬ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, আগের বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৭৮ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ১২ পয়সায়, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা। সে হিসাবে এক বছরে এনএভি বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ।
ভালো মুনাফার ওপর ভিত্তি করে ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আগের হিসাব বছরে লভ্যাংশের হার ছিল ১০ শতাংশ। ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে কোম্পানিটি প্রতি বছর ১০ থেকে ৩০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়ে আসছে।
এর আগে ডিএসই ডরিন পাওয়ারকে ‘গোয়িং কনসার্ন’ শঙ্কার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল। একই সঙ্গে কোম্পানিটির শেয়ারকে ‘নন-মার্জিনেবল’ সিকিউরিটিজ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছিল। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগের বছরের নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে ‘গোয়িং কনসার্ন’ অনুমিতি-সংক্রান্ত একটি বিষয়ের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ডিএসই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
২০২৫-২৬ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও নিরীক্ষকের প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর ডিএসই কোম্পানিটিকে ‘গোয়িং কনসার্ন’ শঙ্কার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। চলতি হিসাব বছরের নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে এ ধরনের কোনো শঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির শেয়ারকে আবারো মার্জিনেবল সিকিউরিটিজ হিসেবে পুনর্বহাল করেছে ডিএসই।