আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর বেড়েছে ১৫.৬৩%

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির শেয়ারদর গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ১৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ১৮ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

এর আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১৬ টাকা। এতে সপ্তাহ শেষে শেয়ারটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৬ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮১ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৭৪ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ১৬ পয়সায়।

২০২৪ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১৪ পয়সা।

২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

১৯৯৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৫১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৪১৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১৫ কোটি ১৬ লাখ ৯১ হাজার ৭১৩। এর ৪০ দশমিক ৪১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৫ দশমিক ৫২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৪ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও